কর্মসূত্রে বাইরে থাকতেই পারেন কিন্তু তা বলে কি আর নিজের দেশকে ভুলে থাকা যায়। দেশ তো মনের গভীরেই থেকে যায়। তেমনটা ঘটেছে গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইয়ের সঙ্গেও। নিজে একথা স্বীকারও করলেন তিনি।
তামিলনাড়ুতে বড় হয়েছেন সুন্দর পিচাই। সম্প্রতি বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তবে আমার অন্তরের গভীরে ভারত রয়েছে”।
এদিনের এই সাক্ষাৎকারে গুগলের নানান পরিকল্পনা, নানান প্রযুক্তি থেকে শুরু করে নিজের অতীত, দেশ, দেশের নানান সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করেন ৪৯ বছর বয়সী সুন্দর পিচাই।
দৈনিক জীবনে নানান প্রযুক্তি সম্বন্ধীয় কন অভ্যাস রয়েছে তাঁর? এর জবাবে সুন্দর পিচাই বলেন, “আমি পাসওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সবসময়ে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশান মেনে চলি। সবারই সেটা করা উচিত্। তাছাড়া নতুন নতুন প্রযুক্তি যাচাই করে দেখতে বারবার স্মার্টফোন বদলাতে থাকি”।
এদিন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়েও কথা বলেন গুগল সিইও। তাঁর মতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মানবসভ্যতার এক যুগান্তকারী আবিষ্কার। তাঁর মতে, “আগুন, বিদ্যুতের ব্যবহার, ইন্টারনেট আবিষ্কার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সও তেমনই। বরং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে আরও বৃহৎ বলা যেতে পারে”।





