আজ ভারতীয় সেনার সাথে বৈঠকে অবশেষে নতি স্বীকার করে পিছু হাটতে সম্মত হল চীন সেনাবাহিনী। সূত্রের খবর, আজ দু’পক্ষের কমান্ডারদের মধ্যে ১১ ঘন্টার বৈঠকে মিলল রফাসূত্র। এই বৈঠকেই পূর্ব লাদাখ সীমান্তে সেনা সরাতে রাজি হল চীন। সূত্রের খবর আজকের বৈঠকে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে এবং দু’পক্ষই সেনা পিছতে সম্মত হয়েছে।
আজ কমান্ডার স্তরের বৈঠকে দু’পক্ষের কর্তারাই ডিসিএনগেজমেন্ট করতে সম্মতি জানিয়েছে। কিন্তু বৈঠকে আলোচনা হলেও আসল সময় সীমান্তবর্তী অঞ্চলের পরিস্হিতি কি হবে তা খতিয়ে দেখতে হবে। সেখানে যে সমস্ত কর্নেল কমান্ডার এবং ব্রিগেডিয়াররা কর্তব্যরত রয়েছেন তাদের উপর এই ডিসিএনগেজমেন্ট এর কতটা প্রভাব পড়বে তা খতিয়ে দেখতে হবে। গত ১৫ই জুন গালওয়ান উপত্যকায় চীন সেনার কমান্ডিং অফিসার দিনের বেলা সেনা সরানোতে সম্মতি জানিয়েছিল। কিন্তু রাত অবধি চীন সেনা তাদের অবস্থান থেকে এক ইঞ্চিও সরেনি। চীন সেনার এ হেন কার্যকলাপ দেখে তাদের সাথে কথা বলতে ভারতীয় সেনার তরফে কর্নেল সন্তোষ বাবু সহ আরো কিছু সেনা জওয়ান এগিয়ে যান। তারপরই কাপুরুষোচিত হামলা চালায় চীন। তাই এই বার সীমান্তে অবস্হিত কমান্ডাররাই নিশ্চিত করবেন ভারতীয় সেনা কতটা পিছু হাটবে। এছাড়া এই ডিসিএনগেজমেন্ট-এর সময় যাতে দু’দেশের মধ্যে পুনরায় নতুন কোনো সংঘর্ষের সৃষ্টি না হয় সেই বিষয়ও নজর দেবেন সীমান্তে কর্মরত অফিসাররা।
বৈঠকে দুপক্ষের সেনার তরফেই ডিসিএনগেজমেন্ট-এর জন্য আপাতত সহমত পোষণ করা হয়েছে। কিন্তু সেনারা কবে সরবে সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত রূপে কিছু জানা যায়নি। এমনকি যে সমস্ত পোস্ট, বাঙ্কার, হেলিপ্যাড বানানো হয়েছে সে গুলিকে এই মুহূর্তে সরানো হবে কিনা সে বিষয়ও কিছু বলা হয়নি। এছাড়া ‘ফিঙ্গার’ অঞ্চলে ৫ থেকে ৮ নম্বরে যে বিশাল সংখ্যক চীন সেনা মোতায়েন রয়েছে তারাও কবে এবং কতটা পিছনে সরবে তাও এই মুহূর্তে জানা যায় নি। ডিসিএনগেজমেন্ট-এর সময় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি বুঝে এই সকল বিষয় সিদ্ধান্ত নেবেন ময়দানে উপস্থিত সেনা কমান্ডাররাই। তার আগে এই বিষয়ে বৈঠকে বসে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না বলে জানা যাচ্ছে। সেনা পিছু হাটানোর মুহূর্তের পরিস্হিতি পর্যালোচনা করে দুদেশের সেনা ১১ ঘন্টার বৈঠকে ভারতের চাপে সীমান্ত থেকে সেনা সরাতে বাধ্য হলো চীন
আজ ভারতীয় সেনার সাথে বৈঠকে অবশেষে নতি স্বীকার করে পিছু হাটতে সম্মত হল চীন সেনাবাহিনী। সূত্রের খবর, আজ দুপক্ষের কমান্ডারদের মধ্যে ১১ ঘন্টার বৈঠকে মিলল রফাসূত্র। এই বৈঠকেই পূর্ব লাদাখ সীমান্তে সেনা সরাতে রাজি হল চীন। সূত্রের খবর আজকের বৈঠকে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে এবং দুপক্ষই সেনা পিছতে সম্মত হয়েছে।
আজ কমান্ডার স্তরের বৈঠকে দুপক্ষের কর্তারাই ডিসিএনগেজমেন্ট করতে সম্মতি জানিয়েছে। কিন্তু বৈঠকে আলোচনা হলেও আসল সময় সীমান্তবর্তী অঞ্চলের পরিস্হিতি কি হবে তা খতিয়ে দেখতে হবে। সেখানে যে সমস্ত কর্নেল কমান্ডার এবং ব্রিগেডিয়াররা কর্তব্যরত রয়েছেন তাদের উপর এই ডিসিএনগেজমেন্ট এর কতটা প্রভাব পড়বে তা খতিয়ে দেখতে হবে। গত ১৫ই জুন গালওয়ান উপত্যকায় চীন সেনার কমান্ডিং অফিসার দিনের বেলা সেনা সরানোতে সম্মতি জানিয়েছিল। কিন্তু রাত অবধি চীন সেনা তাদের অবস্থান থেকে এক ইঞ্চিও সরেনি। চীন সেনার এ হেন কার্যকলাপ দেখে তাদের সাথে কথা বলতে ভারতীয় সেনার তরফে কর্নেল সন্তোষ বাবু সহ আরো কিছু সেনা জওয়ান এগিয়ে যান। তারপরই কাপুরুষোচিত হামলা চালায় চীন। তাই এই বার সীমান্তে অবস্হিত কমান্ডাররাই নিশ্চিত করবেন ভারতীয় সেনা কতটা পিছু হাটবে। এছাড়া এই ডিসিএনগেজমেন্ট-এর সময় যাতে দু দেশের মধ্যে পুনরায় নতুন কোনো সংঘর্ষের সৃষ্টি না হয় সেই বিষয়ও নজর দেবেন সীমান্তে কর্মরত অফিসাররা।
বৈঠকে দুপক্ষের সেনার তরফেই ডিসিএনগেজমেন্ট-এর জন্য আপাতত সহমত পোষণ করা হয়েছে। কিন্তু সেনারা কবে সরবে সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত রূপে কিছু জানা যায়নি। এমনকি যে সমস্ত পোস্ট, বাঙ্কার, হেলিপ্যাড বানানো হয়েছে সে গুলিকে এই মুহূর্তে সরানো হবে কিনা সে বিষয়ও কিছু বলা হয়নি। এছাড়া ‘ফিঙ্গার’ অঞ্চলে ৫ থেকে ৮ নম্বরে যে বিশাল সংখ্যক চীন সেনা মোতায়েন রয়েছে তারাও কবে এবং কতটা পিছনে সরবে তাও এই মুহূর্তে জানা যায় নি। ডিসিএনগেজমেন্ট-এর সময় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি বুঝে এই সকল বিষয় সিদ্ধান্ত নেবেন ময়দানে উপস্থিত সেনা কমান্ডাররাই। তার আগে এই বিষয়ে বৈঠকে বসে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না বলে জানা যাচ্ছে। সেনা পিছু হটানোর মুহূর্তের পরিস্হিতি পর্যালোচনা করে দু’দেশের সেনা অফিসাররাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে।





