সেই শুরু হয়েছে ডিজিটাল স্ট্রাইক দিয়ে। তারপর ভারতের বাজারে কাজ হারিয়েছে একাধিক চীনা সংস্থা।
উল্লেখ্য, গত জুনে লাদাখ সীমান্তে ভারত-চীন সীমান্ত সংঘর্ষে ভারতের ২০জন জওয়ান শহিদ হন। তারপর থেকেই দেশজুড়ে চীনা পণ্য বয়কটের হিড়িক পড়েছে। শি জিনপিংয়ের দেশকে অর্থনৈতিকভাবে ধাক্কা দিতে চেষ্টার কোনও কসুর রাখছে না মোদীর ভারত।
সম্প্রতি গত মাসেই ৪৪টি সেমি হাই স্পিড বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের জন্য টেন্ডার ডেকেছিল ভারতীয় রেল। সেই অনুযায়ী দরপত্র জমা দেয় সিআরআরসি পাইওনিয়র ইলেক্ট্রিক (ইন্ডিয়া) প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি সংস্থা। যেটি কিনা ভারত ও চীনের যৌথ মালিকানায় রয়েছে। সিআরআরসি ইয়ংজি প্রাইভেট লিমিটেড নামের এক চীনা সংস্থা গুরুগ্রামের পাইওনিয়র ইলেক্ট্রিকের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে এই ৪৪টি ট্রেন তৈরির জন্য আবেদন জানিয়েছিল।
https://twitter.com/RailMinIndia/status/1296851297740627968
সূত্র মরফত খবর, পুরো প্রকল্পটির জন্য মোট অর্থমূল্য ছিল প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। শুক্রবার রাতে রেলের তরফে টুইট করে টেন্ডারটি বাতিল ঘোষণা করা হয়। ঠিক কী কারণে এই টেন্ডার বাতিল হয়েছে তা স্পষ্ট করেনি রেল। তবে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, যেহেতু চীনা সংস্থা বরাত পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকার দরুনই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেল জানিয়েছে, সপ্তাহখানেকের মধ্যেই এই ৪৪টি সেমি হাই স্পিড ট্রেনের জন্য ফের দরপত্র আহ্বান করা হবে। এবং এবার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় জোর দেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই সম্পূর্ণ টেন্ডার বাতিল এর মধ্যে দিয়ে বেজিংয়ের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তাই দিল ভারত।





