ইমরান খান (Imran Khan) সরকারের একাধিক কার্যকলাপে এবার বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ছে খোদ পাকিস্তানি নাগরিকরাই (Pakistani citizens)। নিজেদের দেশে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে পড়শী দেশের শান্তি ভঙ্গের চেষ্টায় লেগে রয়েছে ইমরান খান। লক্ষ্য নেই দেশীয় উন্নয়নের দিকেও। ইমরান খান সরকারের এই সব বেআক্কেলে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবার ক্রমশই ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে পাকিস্তানের আমজনতার অন্দরে। সম্প্রতি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মার্কেট রিসার্চ সংস্থার একটি সমীক্ষায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে অন্যদিকে আবার আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার যুদ্ধে নিজেদের সেনা পাঠানো বর্তমান সরকারের কোনও পদক্ষেপেই সায় নেই পাকিস্তানিদের।
সমীক্ষায় আরও জানা গেছে, পাকিস্তান অধিকৃত পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকায় দুর্নীতিই এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা। আর সিন্ধুপ্রদেশের মানুষের অসন্তোষ লোডশেডিংয়ের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে। একই সঙ্গে সেখানে যেভাবে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষের পক্ষে জীবনধারণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। বেকারত্ব ও দারিদ্রতা হু হু করে বাড়ছে। পরিস্থিতি এমন জায়গা গিয়েছে যে পাকিস্তানের প্রতি ১০ জন নাগরিকের মধ্যে একজন আগামী ৬ মাসের মধ্যে চাকরি হারাতে পারেন বলেও আশঙ্কা করছেন।
ফ্রান্সের এই সংস্থাটি সম্প্রতি পাকিস্তানের বিভিন্ন গ্রাম ও মফস্বল এলাকায় গত সেপ্টেম্বর মাসে ওই সমীক্ষা চালিয়েছে। ১৮ বছরের উর্দ্ধে থাকা ৫০০ জন পুরুষ ও ৫০০ জন মহিলা, মোট হাজার জনের সঙ্গে কথা বলে তারা বুঝতে পেরেছে যে পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ মানুষ বর্তমান সরকারের কাজে সন্তুষ্ট নয়। তাঁরা মনে করেন, ২০১৯ সালের পর থেকেই ভুল পথে হাঁটছে দেশ। চার জন পাকিস্তানির মধ্যে তিন জনের ধারণা দেশে যা চলছে তা ঠিক হচ্ছে না। পাঁচ জনের মধ্যে চার জন মনে করেন, ক্রমশ বেহাল হচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা। আর এর জন্য ইমরান খান-এর সরকারই দায়ী। প্রতি পাঁচ জনের মধ্যে দু’জন পাকিস্তানি মনে করেন, দেশের মুদ্রাস্ফীতি, দারিদ্রতা ও বেকারত্বের পরিমাণ যেভাবে বাড়ছে তা সরকারের ভুল নীতির ফল। এমনকি অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্যও তারা ইমরান খান সরকারকেই দুষেছে।





