India pakistan war : বিশ্বাসঘাতক পাকিস্তান! সংঘর্ষ বিরতির পরেই আকাশে ড্রোন, সীমান্তে ফের যুদ্ধের আশঙ্কা

সন্ধ্যের দিকে সীমান্তে যেন একটু আশার আলো দেখা গিয়েছিল। এতদিনের উত্তেজনার পর হঠাৎ করেই যেন চারপাশে একটা প্রশান্তি নেমে আসে। গ্রামের মাঠে শিশুরা খেলা করছিল, চাষিরা আবার জমিতে নামছিল সাহস করে। চারদিকে এক ধরনের নিশ্চুপতা, যা বহুদিন পর শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছিল। স্থানীয়দের চোখেমুখে খানিক স্বস্তির ছায়া। মনে হচ্ছিল, হয়তো এবার সত্যিই শান্তি ফিরবে।

কিন্তু শান্তির সেই স্বল্প পর্ব যেন বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হতে না হতেই আচমকাই কেঁপে উঠল সীমান্ত অঞ্চল। আকাশে দেখা যায় একের পর এক অজানা বস্তু। কানে আসে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ। গ্রামের মানুষ আতঙ্কে দৌড়তে শুরু করে। বহুজন আবার আশ্রয় নেয় বাঙ্কারে। দিনকয়েক আগেও যে দৃশ্য স্বাভাবিক ছিল, সেটাই যেন ফিরে এল আরেকবার। অথচ ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেই পাকিস্তান নিজেই সংঘর্ষ বিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল।

সংঘর্ষ বিরতির মুখেই ছুরি মারল পাকিস্তান,

সরকারি সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরে পাকিস্তান থেকেই সংঘর্ষ বিরতির একটি প্রস্তাব আসে। ভারত তা বিবেচনা করে সম্মতি দেয়। বিকেল ৫টা থেকে স্থল, জল ও আকাশপথে সবরকম সামরিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে রাজি হয় দুই দেশ। কিন্তু পরিস্থিতি ঘোরে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই। সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণার পর বেশি সময় পেরোয়নি, পাকিস্তান সীমান্তে শুরু করে ড্রোন পাঠানো। ভারতীয় সেনার তরফে তখনই নজরে আসে ওই গতিবিধি। মুহূর্তে জবাব দিতে প্রস্তুত হয় বাহিনী। একের পর এক ড্রোন ধ্বংস করা হয়, পাল্টা অভিযানও চালানো হয় সীমান্ত বরাবর।

এ বিষয়ে ভারতের প্রতিক্রিয়া একেবারে স্পষ্ট। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই সংঘর্ষ বিরতি ছিল শুধুমাত্র একটি পারস্পরিক সমঝোতা, কোনও লিখিত বা আনুষ্ঠানিক চুক্তি নয়। অর্থাৎ, পাকিস্তান যদি এই সমঝোতা ভাঙে, ভারতও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে ছাড়বে না। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, ভারত এই সমঝোতা শর্তসাপেক্ষে মেনে নিয়েছিল। সংঘর্ষ বিরতির অর্থ এই নয় যে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান বদলাবে।

আরও পড়ুনঃ Weather update : তাপপ্রবাহের মাঝে স্বস্তির বার্তা! আজ থেকেই ১৩ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি, জানুন কোন কোন জেলায় চরম সতর্কতা!

পাকিস্তানের সঙ্গে সমস্ত ধরনের বাণিজ্য এখনও স্থগিত থাকবে। সীমান্ত বন্ধ থাকবে, নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হবে না। সিন্ধু জলচুক্তি সম্পর্কেও সরকারের অবস্থান অপরিবর্তিত। অর্থাৎ, এই সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণার পরও পাকিস্তান ভারতের বন্দর বা আকাশপথ ব্যবহার করতে পারবে না। ভারত পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, শান্তির প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেও, বিশ্বাসঘাতকতা মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনে কড়া জবাব দিতে প্রস্তুত দিল্লি। সংঘর্ষ বিরতি যদি আড়ালের ঢাল হয়ে ওঠে পাকিস্তানের জন্য, তবে সেই ঢাল ভেঙে দিতেও পিছপা হবে না ভারত।

Jui Nag

আমি জুই নাগ, পেশায় নিউজ কপি রাইটার, লেখালেখিই আমার প্যাশন। বিনোদন, পলিটিক্স ও সাম্প্রতিক খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য। তথ্যভিত্তিক ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে সঠিক সংবাদ পৌঁছে দিই।

আরও পড়ুন

RELATED Articles