পেহেলগাম হামলার পর সারা দেশের শোকস্তব্ধ ভারত এখন কড়া জবাবের অপেক্ষায়। গোটা বিশ্ব যেখানে ভারতের পাশে, সেখানে চাপে দিশেহারা পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক মহলে কোণঠাসা অবস্থা, রাষ্ট্রসংঘ থেকে শুরু করে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলো পর্যন্ত পাকিস্তানের জবাবদিহি চায়। এমন অবস্থায় ইসলামাবাদ প্রশাসনে চলছে অস্বস্তির হাওয়া—সামরিক ও কূটনৈতিক মহল বুঝেই উঠতে পারছে না, কোন পথে চলবে।
চাপে থাকা এক জিনিস, আর ভয় পাওয়া আরেক জিনিস। কিন্তু এখন পাকিস্তান সরকার যেন দুই দিক থেকেই কোণঠাসা। একদিকে জনগণের চাপ, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক চাপ—তার উপর ভারতের জবাবি স্ট্রাইক বা কূটনৈতিক পদক্ষেপের আশঙ্কা। এরই মাঝে হঠাৎ করে রাষ্ট্রনেতার অদৃশ্য হয়ে যাওয়া আরও বাড়িয়ে দিয়েছে রহস্য। সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন—ঠিক কী হচ্ছে ইসলামাবাদে?

সব রহস্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ২৭ এপ্রিল, ২০২৫—এই তারিখে ইসলামাবাদের প্রধানমন্ত্রী গোপনে ভর্তি হয়েছেন রাওয়ালপিন্ডির সিএমএইচ হাসপাতালে। সরকারি নথি অনুযায়ী, তাঁর হেমোরয়েড সংক্রান্ত সমস্যা ধরা পড়েছে এবং তারই চিকিৎসার জন্য নাকি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে রয়েছে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম। আপাতত চিকিৎসায় ভালো সাড়া দিচ্ছেন বলে দাবি।
তবে শুধু ভর্তি নয়, বিষয়টি যাতে বাইরের কেউ না জানে তা নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশ জারি করেছে প্রধানমন্ত্রী দফতর। মুখ্য সচিব আসাদ রহমান গিলানি স্বাক্ষরিত একটি অভ্যন্তরীণ চিঠিতে বলা হয়েছে, এই তথ্য গোপন রাখা হবে এবং সরকারি অনুমোদন ছাড়া কোনও মিডিয়াতে এ নিয়ে কিছু বলা যাবে না।
আরও পড়ুনঃ Weather update: তীব্র দাবদাহ থেকে মুক্তি, চলতি সপ্তাহে রাজ্যজুড়ে ঝড়-ঝঞ্ঝার পূর্বাভাস! কি বলছে হাওয়া অফিস?
তবে প্রশ্ন উঠছে, সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হলে এত গোপনীয়তা কেন? বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, ভারতের সম্ভাব্য জবাবের ভয়ে মানসিক চাপ ও আতঙ্কেই ভেঙে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আর পাকিস্তান সরকারের এই গোপনীয়তা হয়তো আসল সত্যিই আড়াল করার চেষ্টা। সত্যতা যাচাই সম্ভব নয়, কারণ ইসলামাবাদ এখনও মুখ খুলছে না। তবে ভয়ের ছায়া স্পষ্ট।





