সংসদে বন্ধ হতে চলেছে জনগণের টাকার ভর্তুকিতে চলা পেটপুজোর ঢালাও ব্যবস্থা। লোকসভার বিজনেস অ্যাডভাইসরি কমিটির একটি বৈঠকে সর্বসম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরফলে বছরে প্রায় ১৭ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে সরকারের দাবি।
প্রথম ২০১৫ সালে সংসদের মেনু ও তার খরচের তালিকা প্রকাশ্যে আসে। পাশাপাশি খাবারের সেই মূল্যে ৮০ শতাংশ ভর্তুকি বৃদ্ধির বিষয়টিও সামনে আসে। জনপ্রতিনিধিদের খাবার খরচে জনগণের টাকায় ভর্তুকি দেবে এই বিষয়টি নিয়ে ওই বছরই বিজেডি সাংসদ বিজয়ন্ত ‘জয়’ পাণ্ডে চিঠি লিখেছিলেন লোকসভার স্পিকারকে। পাশাপাশি সাংসদদের কাছেও তাঁর অনুরোধ ছিল যাতে নিজেরাই ক্যান্টিনের ভর্তুকিযুক্ত খাবার না খান।
২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর লোকসভার তরফে একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, বাজার দরেই যেন সাংসদরা খাবার কিনে খান ক্যান্টিন থেকে।’ এবার তা বাস্তব রূপ পেতে চলেছে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার প্রস্তাবে সায় দিয়েছেন সব সাংসদ।





