করোনা পরিস্থিতিতে দেশের ভবিষ্যত কী? বন্ধ অফিস-কাছারি থেকে কারখানা। করোনাভাইরাস ও লকডাউনের জেরে দেশের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বড় বিপর্যয় আসতে চলেছে, মিলছে তেমনই ইঙ্গিত। বেকারত্বের হার বাড়বে অনেক, বিশেষজ্ঞরা বলছেন এমনটাই।
ইতিমধ্যেই লকডাউনে দেশে কাজ হারিয়েছেন প্রায় ১৪ কোটি মানুষ। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি বা CMIE-এর সম্প্রতি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই ভয়ঙ্কর তথ্য।
লকডাউনের জেরে দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের টাকা ফুরোচ্ছে। ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চিত চাকরিজীবীরাও। ব্যবসায়ীদের অবস্থাও ভাল নয়। এরই মধ্যে CMIE-এর সমীক্ষা, এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহে দেশে বেকারত্বের হার ছুঁয়েছে প্রায় ২৬. ২ শতাংশ।
ফেব্রুয়ারিতে কর্মসংস্থান ৪০ শতাংশ থেকে এক ধাক্কায় এপ্রিলে নেমে হয়েছে ২৬ শতাংশ। করোনা সংকটে লকডাউন ঘোষণার পরই চাকরি ছাঁটাই ও বেতন না কাটার আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তারপরও যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ হারানোর ঘটনা ঘটছে তা এই তথ্যেই পরিস্কার। কিন্তু চাকরি না ছাঁটাই করলেও মালিকরা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। আয় হচ্ছে না কিছু, সেখানে বেতন দেওয়ার ব্যয়টা কোথা থেকে করবেন তাঁরা?
গ্রামে বেকারত্ব বেড়ে হয়েছে ২৬.৭ শতাংশ। তবে শহরাঞ্চলে কাজ হারানোর হার গ্রামের তুলনায় কিছুটা কম, প্রায় ২৫.১ শতাংশ। CMIE জানিয়েছে, ২০১৬-তে নোটবাতিলের পর এবারই প্রথম দেশে বেকারত্বের হার সীমা ছাড়াল। ভবিষ্যত আরও কঠিন বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।





