নষ্ট ১৫ হাজার লিটার দুধ ও ১০ হাজার কেজি সব্জি, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ই-টেলারদের

যাঁরা বাড়ি বাড়ি ওষুধ বা মুদির দোকানের সামগ্রী পৌঁছে দিতে যাচ্ছেন, তাঁদেরও অনেকসময় নানাভাবে হেনস্থা এবং মারধর করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে! এর ফলে এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে খাদ্য সংকট সৃষ্টি হচ্ছে নতুন করে। বিপুল পরিমাণ পণ্য ফেলে দিতে হচ্ছে। বুধবার এমনই অভিযোগ করল বিভিন্ন ই-কমার্স কোম্পানি। এই সমস্যা দূর করার জন্য তারা অবিলম্বে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে।

বিগ বাস্কেট, ফ্রেশ মেনু এবং পর্টিয়া মেডিক্যালের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের প্রমোটার কে গণেশ-র কথায়, “সরকার করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার থেকে খুব নির্দিষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে খাবার, মুদির দোকানের জিনিসপত্র, ওষুধ ও ডাক্তারির সরঞ্জাম ডেলিভারি দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া যাবে না। কিন্তু সরকারের নীচের তলার কর্মীরা অনেকে মনে হয় সেই নির্দেশের অর্থ বুঝতে পারেননি।”

পুলিশের নিন্দে করে গণেশ বলেন, “তারা জানে না, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিবহণে বাধা দেওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে তারা খারাপ ব্যবহার করছে। মারধর করছে। কেরলে আমাদের এক স্বাস্থ্যকর্মী জনৈক রোগীর বাড়িতে যাচ্ছিলেন। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

তাঁর সংযোজন “এই পরিস্থিতিতে যাঁরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পণ্য ও পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছেন, তাদের মারবেন না।” মুদির দোকানে পণ্য সরবরাহকারী সংস্থা গ্রোফারস এবং মাংস সরবরাহকারী সংস্থা ফ্রেশটুহোম একই অভিযোগ করেছে। তাদের বক্তব্য, “লকডাউন করতে গিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে বাধা দেওয়া হচ্ছে।”

খদ্দেরদের প্রতি এক মেসেজে মিল্কবাস্কেট সংস্থা জানিয়েছে, তারা ১৫ হাজার লিটার দুধ ও ১০ হাজার কেজি ভেজিটেবিল ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছে।

Antara

I, Antara Banerjee, is a teen content writer who covers up the field of Sports, Politics and Social News.

আরও পড়ুন

RELATED Articles

Leave a Comment