মর্মান্তিক! গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, মৃ’ত ৩ শিশুসহ এক মহিলা

গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে মর্মান্তিক মৃত্যু। গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে (cylinder explosion) মৃত্যু হয়েছে চারজনের, তার মধ্যে তিনজনই শিশু ও অপর একজন মহিলা বলে জানা গেছে। কিভাবে এই ঘটনাটি ঘটলো তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই ঘটনায় ভর্য়াত এলাকাবাসী।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ার দামরি গ্রামে। সিলিন্ডার ফাটার (cylinder explosion) সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বাড়িতে। বাড়িটি ঘিরে ধরেন স্থানীয়রা। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগালেও কিছু সুবিধা হয়ে ওঠেনি। আগুনে প্রকোপ এত বেশি ছিল তা নিয়ে ভালো সম্ভব হয়নি সাধারণ মানুষের দ্বারা। খবর পেয়েই ঘটনার স্থলে ছুটে আসেন দমকল কর্মীরা। তারাই দায়িত্ব নিয়ে আগুন নেভানোর কাজ করে।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশ সুপারিটেন্ডেন্ট জানিয়েছেন, “ওই মহিলা চা ও জলখাবার বানানোর সময় আচমকা সিলিন্ডার ফেটে (cylinder explosion) যায়। তখনই মৃত্যু হয় তাঁর এবং তাঁর তিন সন্তানের। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। আর কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। পুলিশ ও ফরেনসিক অফিসাররা ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছেন। নমুনা বিশ্লেষণ করে নতুন কোনও তথ্য পাওয়া যায় কিনা সেটাই এখন দেখার”। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ এই কাজের সাথে যুক্ত কিনা তা নিয়েও তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গত সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশের অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে চার শিশুর। এক দৈনিক মজুরি তার স্ত্রী ও তার সন্তানকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। সেখানেই হঠাৎ মোবাইলে চার্জিং সকেট থেকে বিস্ফোরণ ঘটে বিছানা ও পর্দায় আগুন লেগে যায়। ‌ তখন ঘরের অন্য কাজে ব্যস্ত ছিল তার মা-বাবা।‌ ঘটনাটি ঘটেছিল মুজাফফরনগরে।‌ তার শিশুদের বাঁচাতে এগিয়ে লেও ওই সময়ের মধ্যেই শিশুরা দগ্ধ হয়ে মারা যান। ‌ এলাকার লোকজন এসেও সে শিশুদের বাঁচাতে পারেননি।

সম্প্রতি লখনৌতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে (cylinder explosion) একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। শর্ট সার্কিট থেকে সেখানে আগুন লাগে বলে সূত্রের খবর। সচেতনতা বাড়লেও, সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা দিন দিন বাড়তে থাকছে। এমনকি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের (cylinder explosion) ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, তার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তারপরেও কেন এমন ঘটনা ঘটছে তাতেই হয়রানি বাড়ছে।

RELATED Articles