দেশে সাড়ে ৩০০-এর গণ্ডি পার করেছে ওমিক্রন। এই আবহে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। এই কারণে এবার আসন্ন উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনের প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য আবেদন জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও নির্বাচন কমিশনের কাছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে যে এখনই উত্তরপ্রদেশে জনসভা, মিছিলের উপর যাতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর পাশাপাশি নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার কথাও বলা হয়। জনবহুল এই রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে তা গোটা দেশের জন্য ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
চলতি বছরে বাংলা, কেরল, তামিলনাড়ু সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভার নির্বাচনের সময় কমিশনের বিধিনিষেধ সত্ত্বেও করোনাবিধি লঙ্ঘন করে জনসভা, নির্বাচনী প্রচার চলেছে দেশে। আর এরপরই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিধ্বংসী রূপ দেখেছে গোটা দেশবাসী। মৃত্যু মিছিল শুরু হয় অক্সিজেনের অভাবে।
ওমিক্রনের জেরেও যাতে এমন পরিস্থিতর সৃষ্টি না তৈরি হয়, এই কারণেই আগেভাগে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন খোদ মোদী৷ গতকাল, বৃহস্পতিবার ওমিক্রন সংক্রান্ত এক জরুরি বৈঠকে সরকারি আধিকারিকদের প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু নির্দেশ দেন৷ এই পরিস্থিতিতে আসন্ন উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের জেরে যাতে করোনা না ছড়িয়ে পড়ে, তাই কমিশন ও মোদীর কাছে বিশেষ আবেদন জানাল এলাহাবাদ হাই কোর্ট।
এই প্রসঙ্গে বিচারপতি শেখর যাদব বলেন, “যদি মিছিল বন্ধ না করা হয়, তাহলে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের থেকেও খারাপ অবস্থা হবে৷ জীবন থাকলে, পৃথিবীও থাকবে”। এদিকে নির্বাচন কমিশনকে উত্তর প্রদেশের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধও জানিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট।
ক্রমেই বাড়তে থাকা ওমিক্রনের সংক্রমণের জন্যই এই অনুরোধ। তৃতীয় ঢেউ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য সতর্কতা নেওয়া জরুরি। বলে রাখি, আগামী বছরের প্রথমের দিকেই উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন হওয়ার কথা। তবে এই নির্বাচনের জেরে করোনা অতিরিক্ত মাত্রায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা।






