সাইবার হানার কবলে ব্যাঙ্ক, বিপাকে পরিষেবা, বন্ধ অনলাইন লেনদেনও, সমস্ত তথ্য হ্যাকারদের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা!

Ransomware Attack in Several Banks: বড় বিপর্যয়! সাইবার হানার কবলে পড়ল একাধিক ব্যাঙ্ক। আর এই হানার জেরে দেশের নানান ব্যাঙ্কে পরিষেবা বিপর্যস্ত (Ransomware Attack in Several Banks)। আপাতত বন্ধ টাকা তোলা ও জমা দেওয়ার কাজ। অনলাইন লেনদেনে প্রভাব সবথেকে বেশি পড়েছে এর জেরে। অনলাইন লেনদেন অর্থাৎ ইউপিআই পরিষেবা বন্ধ। সমস্ত তথ্য হ্যাকারদের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় বেজায় চিন্তিত গ্রাহকরা।  

এদিন ন্যাশানাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া-র তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, দেশের প্রায় ৩০০টি গ্রামীণ ও সমবায় ব্যাঙ্কে এই সাইবার হানা হয়েছে। এই ব্যাঙ্কগুলিকে প্রযুক্তি সরবরাহকারী সংস্থা C-Edge Technologies Ltd র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের মুখে পড়েছে বলে জানানো হয় (Ransomware Attack in Several Banks)। এর ফলে ওই সমস্ত ব্যাঙ্কে আপাতত পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। ওই ব্যাঙ্কের গ্রাহকরা অনলাইন লেনদেনও করতে পারছেন না বলে খবর।

দেশের ব্যাঙ্কগুলিতে যে সাইবার হানা হতে পারে, সেই বিষয়ে কয়েক সপ্তাহ আগেই আরবিআই ও ভারতী সাইবার কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্ক করা হয়েছিল বলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর। আর এরপরই হল এই সাইবার আক্রমণ (Ransomware Attack in Several Banks)।  

এই বিষয়ে সাইবার বিশেষজ্ঞ সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, “এই র‍্যানসমওয়্যার প্রবেশের ফলে ওই সেকশনে একটা ইনফেকশন হয়ে যাচ্ছে। এর অর্থ ওই সিস্টেমের সিকিউরিটি ঠিকঠাক ছিল না। এর ফলে সমস্ত ডেটা তুলে হ্যাকারদের হাতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যে কোনও হ্যাকারের কাজই হচ্ছে, কম্পিউটারে ঢুকে সমস্ত ডেটাবেস হাতিয়ে নিয়ে গোটা সিস্টেমটাকে অকেজো করে দেওয়া বা তথ্য চুরি করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা। এক্ষেত্রেও ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় র‍্যানসামওয়্যার-হানায় গ্রাহকের নাম, পরিচয় এবং অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য হ্যাকারদের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা”। তবে এই হানার প্রভাব ব্যাঙ্কিং পরিষেবার উপর কতটা পড়ল, তা কিছু মাস পর জানা যাবে বলে জানিয়েছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা (Ransomware Attack in Several Banks)

জানা গিয়েছে, এই সাইবার হানার কবলে পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা রোডের বিদ্যাসাগর কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক (Ransomware Attack in Several Banks)। এর জেরে এই ব্যাঙ্কেও আপাতত অনলাইন পরিষেবা বন্ধ।  এই ব্যাঙ্কের এক গ্রাহক জানান, “লাইন দিয়ে টাকা তুলতে হচ্ছে। মানুষে অসুবিধা হচ্ছে। অনলাইন হলে ভাল হত আর কি। পরিষেবাটা ভাল পেত। ভোগান্তি হচ্ছে মানুষের”।

অন্যদিকে এই হানা প্রসঙ্গে বিদ্যাসাগর কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার রবিশঙ্কর মাল বলেন, “এই মুহূর্তে ইনওয়ার্ডটা ঠিক আছে। বাইরে থেকে আমাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ক্রেডিট হচ্ছে। আমাদের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকাটা যাচ্ছে না”।

RELATED Articles