Blinkit App: বর্তমান যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এখন ঘরে বসেই সকলে বাজার সবজি মাছ সবই বাড়িতে নিয়ে নেন। এখন আর কারোর বাজারে গিয়ে জিনিসপত্র কেনার সময় নেই। সকলেই স্মার্টফোনে নানান ধরনের অ্যাপে নিজেদের দরকারি জিনিসপত্র আনিয়ে থাকেন। বাড়িতে বসে স্মার্ট ফোনে এক ক্লিকেই সবজি,মাছ, মাংস থেকে শুরু করে ফল, মুদির দোকানের সমস্ত জিনিস বাড়িতে চলে আসে।
বাজার করতে বেরোলে অনেকটা সময় লাগে, সময় নষ্ট করে, লাইন দিয়ে ভিড় ঠেলে বাজারে থলে ধরে বাজার বয়ে বাড়িতে আনতে হয়। তবে স্মার্টফোনে কিছু সময়ের মধ্যেই আপনার বাড়িতে পৌঁছে যাবে আপনার প্রয়োজনীয় সামগ্রী। তাই অনেকেই বাজার করার থেকে ঘরে বসে স্মার্ট ফোনে জিনিসপত্র অর্ডার দিয়ে দেওয়া টাকেই বেশি প্রাধান্য দেন।
অ্যাপের মাধ্যমে জিনিস আনলে আরো একটি সুবিধা ঝগড়া করে দরদাম কমানোর, জিনিস বাছাই করার কোন ঝামেলা নেই। কে এই ভারী জিনিসপত্র বয়ে নিয়ে যাবে সেসবেরও কোন চিন্তা থাকবে না। বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের জন্য এই অ্যাপের মাধ্যমে বাজার মাছ-মাংস নিয়ে আসা অনেকটা স্বস্তির। এমনই একটা অ্যাপ ব্লিংকইট (Blinkit App)। এই অ্যাপ জোম্যাটো সংস্থার। এই অ্যাপের মাধ্যমে অনেক সুবিধা পান সাধারণেরা। অনেকেই এইসব জায়গা থেকে জিনিস কিনতে গিয়ে অনেক কিছু ভাবতে থাকেন।
কিভাবে এই জিনিসগুলোকে সংরক্ষণ করা হয়? কিভাবেই বা সঠিক জিনিস চিনবেন অ্যাপ (Blinkit App)-এর মাধ্যমে অর্ডার করে। কোথায় কিভাবে এই অ্যাপের খাবার জিনিসপত্রগুলি রেখে দেওয়া হয়। এ নিয়ে অনেকেই ভেবে থাকলেও, বেশিরভাগ এইসব নিয়ে চিন্তিত নন। এবার এইসব বিষয় নিয়ে চিন্তিত দ্য কমিশনার অফ ফুড সেফটি। তেলেঙ্গানায় এবার আচমকাই ব্লিংকইট-এর (Blinkit App) ওয়ারহাউসে হানা দিল ফুড সেফটি বিভাগের অফিসাররা।
হায়দ্রাবাদের এই ওয়ারহাউসের ছবি দেখে অবাক হয়েছেন সকলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি শেয়ার করে ফুডস একটি বিভাগ সকলকে সতর্ক করে দিয়েছেন। পাশাপাশি বেশ কিছু তথ্য ও জনগণদের স্বার্থে তুলে ধরেছেন। ওই ওয়ারহাউসে যেখানে জিনিসগুলি রাখা হয়েছে, সেখানে অবস্থা শোচনীয়। চারিদিকে ধুলো, পরিচ্ছন্নতার অভাব। প্রত্যেক মানুষের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দিকে বিশেষভাবে কোন নজর দেওয়া হয়নি।

যারা যারা খাবার নিয়ে কাজ করছেন তাদের মাথায় কোন হেড কভার নেই, হাতে নেই গ্লাভস, এমনকি তাদের অ্যাপ্রণও পরতে দেখা যায়নি। যারা খাবারের ডিপার্টমেন্টে কাজ করছেন তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোন তথ্য কোম্পানি নেয়নি। ফলে যে সকল ব্যক্তি কাজ করছেন তারা যে সুস্থ, এই নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য মেলেনি। এমন কি দেখা গিয়েছে কসমেটিক্স, স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট পড়ে রয়েছে অযত্নে। শুধু তাই নয় খাবারের পাশেই পড়ে রয়েছে এগুলি। সেগুলিকে স্টোর করে রাখার কোন বিশেষ ব্যবস্থা নেই। এসব কিছুর ভিত্তিতেই নোটিশ জারি করা হয়েছে। শীঘ্রই এ বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা যাচ্ছে। বেশ কিছু খাদ্যদ্রব্য পরীক্ষার জন্য ল্যাবেও পাঠানো হয়েছে।





