জরুরি পণ্যের কালোবাজারি করলে হতে পারে ৭ বছরের জেল, জানালো কেন্দ্রীয় সরকার

করোনা রোধে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। এরই মধ্যে রেশন বা অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কালোবাজারির খবর পাওয়া যাচ্ছে। এবার এই কালোবাজারি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় সরকার। প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা জনসাধারণকে যাতে হেনস্তা করতে না পারেন তার জন্য বুধবার প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে বাজারে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী মজুত রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি রাজ্য-সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রধান সচিবদের সঙ্গে কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা। সেখানে তিনি জানান, “২১ দিনের টানা লকডাউনে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ ও চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হবে। তবে দেশের বেশিরভাগ কারখানাগুলি বন্ধ থাকায় কমছে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর উৎপাদন। তুলামূলকভাবে বাড়ছে খাবারের চাহিদা। এই পরিস্থিতিরই সুযোগ নিচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। তারা খাদ্যসামগ্রীর কালোবাজারি শুরু করবে, অতিরিক্ত দামে নিজেদের ফায়দা মেটানোর চেষ্টা করবে। তাই সাধারণ মানুষ যাতে বাড়িতে থেকেই জীবনধারণের সমস্ত প্রয়োজনীয় দ্রব্য পেতে পারেন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে রাজ্য সরকারকে।” এছাড়াও কড়া পদক্ষেপ নিতে ১৯৫৫ সালের জরুরি পণ্য পরিষেবা আইনও (Essential Commodities Act) জারি করেছেন অজয় ভাল্লা।

এই আইনে দেশের জরুরি পরিস্থিতিতে কালোবাজারি করলে ও ধরা পড়লে অভিযুক্তকে জরুরি পণ্য পরিষেবা আইন অনুযায়ী মোটা টাকার জরিমানা বা ৭ বছরের কারাদণ্ড অথবা দুটোই জরিমানা-সহ হাজতবাস হতে পারে। যেহেতু দেশে জরুরি পরিষেবা চলছে তাই এই সময় কোনও ব্যবসায়ী কালোবাজারি করলে তাদের কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না বলে জানান অজয় ভাল্লা। প্রতিটি রাজ্যের ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মুখ্যসচিবদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দ্রুত নিজেদের রাজ্যে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী মজুত রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

RELATED Articles

Leave a Comment