তুঙ্গে চাহিদা, উৎপাদন বাড়াতে অন্যান্য সংস্থাকে কোভ্যাক্সিনের ফর্মুলা জানাবে ভারত বায়োটেক

ভারতে এখন তীব্র প্রতিষেধক সংকট। ১লা মে থেকে ১৮ বছর বয়স থেকে টিকাদান শুরু হলেও দেশের জনসংখ্যার খুব কম অংশই এখন‌ও পর্যন্ত টিকা দিতে পেরেছে। এর প্রধান কারণ টিকার অপ্রতুলতা। গোটা দেশজুড়ে প্রতিষেধকের জোগান দিয়ে উঠতে পারছে না কেন্দ্র l

এই পরিস্থিতিতে এবার উৎপাদনের মাত্রা বাড়াতে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে ও কোভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারত বায়োটেক। দেশে এখন‌ও পর্যন্ত দুটি ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে যথাক্রমে সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড ও ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন। এর মধ্যেই বাজারে চলে এসেছে রাশিয়ার প্রতিষেধক স্পুটনিক ভি। কিন্তু ভারতবর্ষে চাহিদার তুলনায় বড্ড সীমিত প্রতিষেধকের সংখ্যা। আর তাই এবার প্রতিষেধকের উৎপাদন বাড়াতে যাতে অন্যান্য সংস্থাও ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারে সে ব্যাপারে  কেন্দ্র ও ভারত বায়োটেক উদ্যোগী হল। জানা গেছে কোভ্যক্সিনের ফর্মুলা এবার অন্যান্য সংস্থাকেও জানানো হবে।

আরও পড়ুন-করোনা যুদ্ধে ময়দানে দাদার সৈনিকরা! সৌরভের নেতৃত্বে রাজ্যের ৮ জেলায় চালু হচ্ছে কোভিড কেয়ার সেন্টার

গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রের তরফে নীতি আয়োগের (স্বাস্থ্য) সদস্য ভি কে পল এনমনটাই জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন,’সকলে বলছেন দেশের অন্যান্য কোম্পানিকেও কোভ্যাক্সিন বানানোর বরাত দিতে। আমি খুশি এটা ঘোষণা করতে পেরে যে ভারত বায়োটেক ইতিমধ্যেই এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে।’

তবে এই প্রতিষ্ঠিত তৈরি করার জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিকাঠামোর প্রয়োজন হয়। কেবল ত্রিস্তরীয় বায়ো নিরাপত্তা ল্যাবেই কোভ্যাক্সিন বানানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন ভি কে পল।

আরও পড়ুন-গুরুতর উপসর্গ থাকা রোগীদের RT-PCR পরীক্ষায় অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দফতর

তাঁর কথায়,’দেশের সব ল্যাবে এই পরিকাঠামো নেই। যাদের রয়েছে তাঁরা যেন‌ও এই ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়ে এগিয়ে আসেন সেই অনুরোধ করা হচ্ছে এবং একইসঙ্গে সরকারের তরফেও এগোনো হচ্ছে। ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়াতে সরকার সবরকম সহযোগিতা করবে।’

এই সিদ্ধান্ত যদি কার্যকর হয় তাহলে ভারতবর্ষে প্রতিষেধকের সংকট অনেকটাই কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

RELATED Articles