গুরুতর উপসর্গ থাকা রোগীদের RT-PCR পরীক্ষায় অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দফত

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় প্রায় ভেঙে পড়েছে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা। কোথাও নেই আইসিইউ বেড, অক্সিজেনের অপ্রতুলতা, নেই প্রতিষেধক, ওষুধ কোন‌ও কিছুই। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় করোনা সমক্রমণের বাড়বাড়ন্তের মধ্যে অন্যতম সমস্যা হয়ে উঠেছে RT-PCR টেস্ট।

করোনা থাবা বসিয়েছে বুঝতে পেরেও রিপোর্ট না থাকায় চিকিৎসা শুরু করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন জায়গায়। সঠিক সময়ের অনেক পরে মিলছে রিপোর্ট। ‌যার ফলে রোগীর চিকিৎসা শুরু হতে অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। ফলাফল মৃত্যু। বহু ক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির দ্রুত অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলেও করোনা রিপোর্ট না থাকায় সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না চিকিৎসকরা।

আরও পড়ুন-করোনা যুদ্ধে ময়দানে দাদার সৈনিকরা! সৌরভের নেতৃত্বে রাজ্যের ৮ জেলায় চালু হচ্ছে কোভিড কেয়ার সেন্টার

আর এবার সেই সমস্যার সমাধানেই গুরুতর উপসর্গ থাকা রোগীদের পরীক্ষায় অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশিকা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দফতর। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী জানানো হয়েছে, করোনার গুরুতর লক্ষণযুক্ত রোগীদের RT-PCR পরীক্ষায় অগ্রাধিকার দিতে হবে পরীক্ষাগারগুলিকে। সেইজন্য নমুনার সংগ্রহের টিউবে উপযুক্ত নির্দেশিকার উল্লেখ করতে হবে। দ্রুত সেই নমুনাগুলি পরীক্ষার ব্যবস্থা করে রিপোর্ট পাঠাতে হবে।

দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পর থেকেই, করোনা পরীক্ষার জন্য দীর্ঘ লাইন দিতে হচ্ছে। ‌কোথাও নমুনা সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই, কোথাও নমুনা সংগ্রহ হলেও ৭ – ১০ দিন লাগছে রিপোর্ট পেতে। ততদিনে আবার করোনামুক্ত হয়ে যাচ্ছেন অনেকে। অনেকের মৃত্যু হচ্ছে।

আরও পড়ুন- ‘চীনপন্থি’ ওলি পরাজিত, এবার নেপালে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে পারেন ‘ভারতের বন্ধু’ শের বাহাদুর দেউবা

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হলে চিকিৎসা পেতে প্রথমে RT-PCR রিপোর্ট পজিটিভ থাকা বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছিল সরকার। কিছুদিন আগেই অবশ্য স্বাস্থ্য ভবনের তরফে জানানো হয়, রিপোর্ট না থাকলেও উপসর্গ থাকলেই চিকিৎসা করতে হবে। কিন্তু গুরুতর রোগীদের ক্ষেত্রে রিপোর্ট না থাকলে অনেক সময় চিকিৎসা দিতে সমস্যা হচ্ছে।

RELATED Articles