বন্ধন ব্যাংকের (বন্ধন ব্যাংক) কর্নধার চন্দ্রশেখর ঘোষ (Chandra Shekhar Ghosh) ‘বন্ধন’ শুরু করেছিলেন ২০০১ সালে। তখন এটি কোনো ব্যাংক ছিল না। বরং একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (এনজিও) ছিল। যার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মহিলাদের স্বনির্ভর করা এবং দারিদ্র দূরীকরণ। সেই জন্য প্রান্তিক মহিলাদের ছোট ছোট ঋণ দিয়ে বিভিন্ন কাজে উৎসাহিত করা হয় যাতে তাঁরা তাদের নিত্য সংসার খরচের জন্য আয়ের সংস্থান করে নিতে পারেন। এরপর ধীরে ধীরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই এনজিও-র কাজের পরিধি বাড়তে থাকে। এরপর এই সংস্থা দুটি ট্রাস্ট গঠন করে ফাইনান্সিয়াল ইনক্লুশন ট্রাস্ট (ফিট) এবং নর্থ ইস্ট ফাইনান্সিয়াল ইনক্লুশন ট্রাস্ট (নেফিট)।
বন্ধন ছাড়াও এই দুই ট্রাস্টের কাজ ছিল সমাজের প্রান্তিক মানুষের জন্য উন্নয়নমূলক কর্মসূচী গ্রহণ করা।এরপর ২০১৫ সালে “বন্ধন” ব্যাঙ্ক এর মর্যাদা পায়। তখন ফিট এবং নেফিট দুটি ট্রাস্ট ব্যাঙ্কের প্রমোটারের ভূমিকা নেয়।
বর্তমান সময় এই সমাজ করোনা নামক অতিমারীর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই কঠিন সময়ও বন্ধন ব্যাংক মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভোলেনি। এহেন পরিস্থিতিতে সমাজের প্রান্তিক মানুষের খাদ্যের চাহিদা পূরণ করতে ফিট এবং নেফিট-কে সঙ্গে নিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগিয়ে এলেন চন্দ্রশেখর ঘোষ। নিজের জমাপুঞ্জি এবং সাথে দুটি ট্রাস্টের অর্থ তিনি মানুষের খাতে দান করলেন। বিভিন্ন রাজ্য সরকারকে করোনা মহামারীর মোকাবিলায় ২৫ কোটি অনুদান দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তহবিলে ২৫ কোটি ১ লক্ষ ১ টাকা অনুদান দিয়েছেন। এছাড়াও ১৫ দিনের খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পরিবার পিছু ১০০০ টাকা হিসেবে তিনি ৫০ কোটি ১ লক্ষ ১ টাকায় দেশের ৫ লক্ষ মানুষের মানুষের খাদ্যভাব পূরণের দায়িত্ব নিলেন।





