রাজ্য রাজনীতি বোঝা বড় দায়। এখানে কখন যে কী ঘটে যায় কেউ জানে না। সকালে এক রকম খবর হলেও তা সন্ধ্যাবেলায় বদলে যায়।
আজকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পনেরো মিনিটের সাক্ষাৎ-বৈঠক হয়েছে যশ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব নিয়ে। মমতা নিজেই আজকে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে এখন থেকে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় দীঘা উন্নয়ন পর্ষদ সামলাবেন।
কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে অন্য কথা। কেন্দ্রের তরফ থেকে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য তলব করা হয়েছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি দিয়ে তাকে জরুরী ভিত্তিতে দিল্লিতে কাজে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
গত বছর অক্টোবর মাস থেকেই রাজ্যের মুখ্য সচিব পদে যোগ দিয়েছেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৮৭ সালের ব্যাচের এই আইএএস অফিসার দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক কাজে যুক্ত। মে মাসে তার বয়স ৬০ পরিপূর্ণ হয়েছে কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার মুখ্য সচিব পদে মেয়াদ বাড়ানোর জন্য অনুরোধ জানিয়ে কেন্দ্র কে চিঠি দিয়েছিলেন।
গত ২৪ মে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মুখ্যসচিব পদে তিন মাসের জন্য মেয়াদ বৃদ্ধি হয়েছে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু আজ হঠাৎ করেই আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কেন্দ্রের নোটিশ এসেছে যে আগামী ৩১শে মে দিল্লিতে তাকে কর্মীবৃন্দ ও প্রশিক্ষণ মন্ত্রকে হাজিরা দিতে হবে।
এখন এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী সিদ্ধান্ত নেন সেটাই এখন দেখার। তবে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, মমতাকে টাইট দেওয়ার জন্য এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।





