নেহেরু-গান্ধীর থেকে বেশি ‘জনপ্রিয়’ ছিলেন সুভাষচন্দ্র বোস! তাই তাঁকে খুন করে কংগ্রেস, অভিযোগ বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজের

গতকালই নেতাজির ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী পালন করেছে দেশ। নেতাজিকে নিয়ে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে হওয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মন ছুঁয়েছে ভারতবাসীর।

বিধানসভা নির্বাচনের মুখে বাঙালির গর্ব তথা দেশের আইকন নেতাজি কে কে কতটা বেশি ভালোবাসে সেই লড়াইয়ে নেমেছিল তৃণমূল-বিজেপি। কিন্তু সুভাষচন্দ্র বোস কে নিয়ে মন্তব্য করতে পিছিয়ে নেই দেশের অন্যান্য রাজ্যের নেতারাও।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান রহস্যের‌ও কোন‌ও কিনারা হয়নি। কি হয়েছিল নেতাজির সঙ্গে শেষ সময়? তিনি কি বেঁচে? নাকি প্লেন দুর্ঘটনাতেই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর? নাকি নেতাজির মৃত্যুর পিছনে জড়িয়ে রয়েছে কোন‌ও বড় চক্রান্ত? না, দীর্ঘ সময়েও উত্তর মেলেনি ভারতবর্ষের স্বাধীনতার অন্যতম কাণ্ডারীর অন্তর্ধানের।

আর এবার এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ। নিজের বক্তব্যে কাল উত্তর প্রদেশের একটি সভা থেকে তিনি বলেছেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস তৎকালীন ভারতবর্ষে মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহেরুর থেকে বেশি লোকপ্রিয় ছিলেন। আর সেই কারণেই তাঁকে সময়ের আগে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

সাক্ষী মহারাজের কথায় “ভারতবর্ষে নেতাজির জনপ্রিয়তার সামনে দাঁড়াতেই পারতেন না পন্ডিত জহরলাল নেহেরু। মহাত্মা গান্ধীরও প্রায় কাছাকাছি অবস্থাই ছিল। আর ভারতীয় রাজনীতির এই দুই চরিত্র তা সহ্য করতে না পেরেই নেতাজিকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করে। আমি দাবি করে বলছি, নেতাজিকে খুন করেছে কংগ্রেস।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সাক্ষী মহারাজের অভিযোগের সত্যতা কতটুকু তা জানা না গেলেও, তৎকালীন সময়ে নেতাজির আদর্শ, তাঁর দৃঢ় চেতনা, চরমপন্থী মনোভাব, এবং ভারতকে সম্পূর্ণরূপে ‘আজাদ’ করার মানসিকতা ভয় ধরিয়ে ছিল নেহেরু-গান্ধীর মনে। তাঁদের সঙ্গে মতানৈক্যের জেরেই তাঁকে ছাড়তে হয় কংগ্রেসের সদস্য পদ। ভারতমাতার শ্রেষ্ঠ সন্তানের জনপ্রিয়তা যে এই দুজনের মনে সত্যিই ভয় ধরিয়ে ছিল তাই ইতিহাস নতমস্তকে স্বীকার করে।

RELATED Articles