কেরালা-রাজস্থানে নারী অত্যাচার চরমে, এদিকে হাথরাসের প্রতিবাদে ধর্মতলা অবরুদ্ধ করছে বাম-কংগ্রেস

হাথরাস গণধর্ষণ কান্ডে গোটা দেশ জুড়েই চলছে প্রবল উত্তেজনা। সংবাদমাধ্যমকে আটকানো থেকে নির্যাতিতার পরিবারকে গৃহবন্দি রাখা, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে রীতিমত ক্ষিপ্ত গোটা দেশ। বিভিন্ন রাজ্য জুড়ে চলছে প্রতিবাদ সমাবেশ। রাজনৈতিক দল থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেই রাস্তায় নামছেন। এবার আজ যোগী ও মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ধর্মতলায় রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাল বাম-কংগ্রেস-যুব ছাত্র-মহিলারা। মৌলালী থেকে একটি মিছিল আসে ধর্মতলায়। মিছিলে দাবি ওঠে কেন্দ্রের মোদী সরকার এবং উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকারের আর প্রয়োজন নেই কারণ তাদের জমানায় দেশে নারী সুরক্ষার কোন অস্তিত্ব নেই।

সেই মিছিল ধর্মতলায় আসলেই তাদেরকে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয় পুলিশ তবে চিরাচরিত প্রথা মেনে সেই ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যেতে চায় বাম ছাত্র বাহিনী পরে পুলিশের সঙ্গে বাঁধে প্রবল ধস্তাধস্তি।

বিক্ষোভকারীদের দাবি তাদেরকে ইউপি ভবন যেতে দিতে হবে কিন্তু পুলিশ তাদের দাবি মানতে নারাজ ছিল। অন্যদিকে বাম মহিলা সংগঠনের অভিযোগ, তাদেরকে পুলিশ মারধর করেছে এবং ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়েছে। এর মধ্যেই নরেন্দ্র মোদী ও যোগী আদিত্যনাথের কুশপুতুলে আগুন ধরান বিক্ষোভকারীরা। মিছিলে ছিলেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য এর মত প্রবীণ বাম নেতারা। তাদের এই মিছিলের জেরে ধর্মতলায় প্রবল যানজটের সৃষ্টি হয় আজ সন্ধ্যাবেলায়।

sfi protest

এখানেই উঠছে প্রশ্ন, রাজস্থানে কংগ্রেস শাসন রয়েছে এদিকে বিগত ১৩ দিনে সেখানে নয়টি ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছে। বারানে দুই নাবালিকাকে গণধষনের ভয়াবহ ঘটনা ধীরে ধীরে মিডিয়ায় জায়গা করে নিচ্ছে। এই রাজ্যের কংগ্রেস প্রতিনিধিরা সেই নিয়ে চুপ কেন?

আবার কেরালায় দলিতদের উপর কী পরিমাণে অত্যাচার হয় তা উঠে এসেছে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর সাম্প্রতিক সমীক্ষায়। কেরালার বাম সরকারের বিরুদ্ধে এই বাম ছাত্রদল কেন কোন আওয়াজ তোলে না, উঠছে প্রশ্ন। তাই অনেকেই বলছেন, আগে নিজের ঘরটা ঠিক করা উচিত তারপরে পরের সমালোচনা হোক। আর কেরালা এবং রাজস্থানের ঘটনাগুলি অনেক বছর আগের নয়। এগুলি সব সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান তাই এইগুলি নিয়েও সরব হওয়া দরকার প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের।

RELATED Articles

Leave a Comment