২০১৯-এর শেষ থেকেই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে সারা বিশ্বেই আপত্কালীন পরিস্থিতি জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চীনের উহানেই প্রথম করোনাভাইরাস ধরা পড়ার পর চীন তো বটেই, সেই দেশের বাইরেও করোনার পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেইসময় ১০হাজার জনের পরীক্ষা করা হয়। সংক্রমিত হয়েছিলেন মাত্র ৯৮জন। একটিও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। হু-য়ের ঘোষণার পরও হুঁস ফেরেনি কোনও দেশের। তার ফলস্বরূপ আজ বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ৩৩লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। শুক্রবার এমনটাই দাবি করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর-জেনারেল টেড্রোস আধানম গ্রেব্রেইয়েসুস।
সম্প্রতি করোনা মোকাবিলায় চীনের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে হু, এমনই গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্প। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এই দিন একটি বিবৃতি দেন তিনি। হু প্রধান দাবি করেন, এই মারণ ভাইরাস মোকাবিলার জন্য রাষ্ট্রনেতাদের অনেক আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেন অধিকাংশ রাষ্ট্রনেতারাই। আর সেই কারণেই তার ফল ভুগতে হচ্ছে। আর যে সব দেশ হুয়ের সতর্কবার্তা মেনে চলেছে, তারা তুলনামূলক অনেক ভালো জায়গায় রয়েছে।
এদিন তিনি আরও জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস সারা বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যেও জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শ মেনেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাই সারা বিশ্বে জরুরি অবস্থাই জারি থাকবে বলে তিনি ঘোষণা করেছেন।





