ফের প্রশ্নের মুখে পুলিশি তৎপরতা। দিল্লির বুকে এক নৃশংস ঘটনার রিপোর্ট দায়ের করতে পুলিশের লেগে গেল ২০ দিন! নিজের প্রাপ্য চেয়ে বিপদকে ডেকে আনলেন স্বপ্না। মালকিনের কুকুরে ক্ষতবিক্ষত হল স্বপ্নার মুখ।
স্বপ্না নামে এক মহিলা দিল্লির ইন্দু আয়ুর্বেদিক স্পা সেন্টারে কাজ করতেন। জানুয়ারি মাস থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ওই স্পা সেন্টারে কর্মরতা ছিলেন ওই মহিলা। কিন্তু তারপর দেশজুড়ে লকডাউনে বন্ধ হয়ে যায় স্পা। ফলে নিজের প্রাপ্য বেতন নেওয়া হয় না তার। এমন পরিস্হিতিতে বারবার নিজের প্রাপ্য টাকার চেয়ে মালকিন নিকিতার সঙ্গে যোগাযোগ করেন স্বপ্না।
অবশেষে ১১ই জুন আনলক পর্বে তিনি স্পা সেন্টারে যান এবং মালকিনের কাছে নিজের প্রাপ্য চেয়ে বিপদকে ডেকে আনেন তিনি। বেতন চাইতেই কুকুর লেলিয়ে দেয় মালকিন। কুকুরের কামড়ে ছিন্নবিন্ন হয়ে যায় স্বপ্নার মুখ। স্বপ্নার ২ টি দাঁত ভেঙে যায় এমনকি মুখে পড়ে মোট ১৫ টি সেলাই।
কিন্তু এই নৃশংস ঘটনায় আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ঘটনার পর স্বপ্নার চিকিৎসা করতে নারাজ হয় স্থানীয় হাসপাতাল। এমনকি পুলিশের কাছ থেকেও কোনও রকম সাহায্য পাননি এই মহিলা। সবশেষে এইমসে তার চিকিৎসা হয়। কিন্তু ১১ জুনের এই ঘটনার মামলা দায়ের করতে পুলিশের লেগে গেল ২০ দিন। তাও আবার স্থানীয় বিধায়ক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হস্তক্ষেপের পর দায়ের হয় মামলা। পুলিশের এ হেন গাফিলতিতে উঠছে প্রশ্ন।






