এবার সুরার টানে অতিরিক্ত সত্তর শতাংশ গাঁটের কড়ি গুনতে হবে দিল্লিবাসীকে, জানিয়ে দিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
সোমবার থেকে মদের দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। আর তার ফলেই দোকানে দোকানে ভিড় উপচে পড়েছে সুরাপ্রেমীদের। দোকানের সামনে লম্বা লাইন দেখে আঁতকে ওঠার জোগাড়। সামাজিক দূরত্ব যে কী, সেটা খায় না মাথায় দেয় সেটা ভুলে গিয়েছে সবাই।
এবার সেই ভিড় কমাতে ও তার আর্থিক ফায়দা তুলতে মদের দামের সঙ্গে ‘করোনা ফি’ যোগ করল কেজরিওয়াল সরকার।
মোট ৭০ শতাংশ অতিরিক্ত কর করোনা ফি হিসেবে দিতে হবে মদ কেনার সময়। অর্থাৎ ১০০০ টাকা যে মদের দাম, তা কিনতে খরচ করতে হবে ১৭০০ টাকা। সোমবার রাতেই এই নিয়ম জারি করেছে দিল্লি সরকার।
আর এর ফলেই এক ঢিলে দুই পাখি মারল দিল্লি সরকার বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এর ফলে মদের দোকানে কিছুটা হলেও ভিড় কম হবে কারণ এত টাকা এই লকডাউনের বাজারে কেউ খরচ করবে বলে মনে হয় না। পাশাপাশি যদিও বা আসে তাতে সরকারি কোষাগারে রাজস্বের পরিমাণ অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।
যেকোনও সরকারের আয়ের ক্ষেত্রে মদের বিক্রি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সোমবার অরবিন্দ কেজরীবাল জানান, গত বছর এপ্রিলে দিল্লি সরকারের আয় ছিল ৩,৫০০ কোটি টাকা। চলতি বছর এপ্রিলে তা কমে মাত্র ৩০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। তাই তাঁর এই অভিনব পদক্ষেপ সরকারের কোষাগার কিছুটা হলেও ভরবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
দিল্লিতে নিয়মমাফিক সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকছে মদের দোকান।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার