মদ্যপ অবস্থায় চালাচ্ছিলেন স্কুটি, বাধা দিতেই পুলিশের ওপর চড়াও বধূ! সব দেখেও নীরব স্বামী

গভীর রাতে মদ্যপ অবস্থায় স্কুটি চালাচ্ছিলেন এক তরুণী, পিছনে বসেছিলেন তাঁর স্বামী। ছত্তীসগঢ়ের রাস্তায় পুলিশ তাঁদের গাড়ি থামাতেই শুরু হয় অশান্তি। পুলিশের সঙ্গে চরম বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ওই তরুণী। আচরণে কোনও সংযম না রেখে পুলিশকে লক্ষ্য করে চিৎকার-চেঁচামেচি এবং গালিগালাজ করতেও দেখা যায় তাঁকে। গোটা ঘটনায় চুপচাপ বসে ছিলেন তাঁর স্বামী, যিনি পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়েও আসেননি।

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, আধুনিক পোশাকে সেজে স্কুটির চালকের আসনে বসা এক বধূ, এবং তাঁর স্বামী পিছনের আসনে। তরুণী স্পষ্টতই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। পুলিশ গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র খতিয়ে দেখতে চাইলেই শুরু হয় উত্তেজনা। এক পর্যায়ে ওই বধূ পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ শান্ত করার চেষ্টা করলেও উল্টে আরও রাগ দেখাতে থাকেন তিনি। তাঁর কণ্ঠে গালিগালাজও শোনা গিয়েছে। সেই মুহূর্তেই স্বামীকে নির্বিকার বসে থাকতে দেখা যায়।

ঘটনাটি ঠিক কখন এবং কোথায় ঘটেছে, তা স্পষ্ট না হলেও, ছত্তীসগঢ়ের ‘ভয়েস অফ ছত্তীসগঢ়’ নামক এক্স (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি শেয়ার করা হয়েছে। ভাইরাল হতেই সমাজমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বহু মানুষ ভিডিয়োটি দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, মদ খেয়ে গাড়ি চালানোর মতো প্রবণতা ভয়ানক এবং এর জন্যই দুর্ঘটনা ঘটে। এক নেটাগরিক লিখেছেন, “এদের জন্যই রাস্তাঘাটে প্রাণ যাচ্ছে! মদ খেয়ে শুধু গাড়ি চালানোই নয়, উল্টে পুলিশের সঙ্গে ঝামেলা করছে। কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

আরও পড়ুনঃ Trump Tariff Impact: ‘ভারত ব্রিকসে থাকলেই ১০% চার্জ দিতে হবে!’— ওষুধে ২০০%, তামায় ৫০% শুল্ক চাপিয়ে হুমকি ট্রাম্পের!

পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, দু’জনকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময়েই বচসার সূত্রপাত হয়। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা এবং ঘটনাস্থলের নির্দিষ্টতা এখনও সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তবু সমাজে এই ধরনের আচরণ যে কতটা বিপজ্জনক, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

Jui Nag

আমি জুই নাগ, পেশায় নিউজ কপি রাইটার, লেখালেখিই আমার প্যাশন। বিনোদন, পলিটিক্স ও সাম্প্রতিক খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য। তথ্যভিত্তিক ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে সঠিক সংবাদ পৌঁছে দিই।

আরও পড়ুন

RELATED Articles