Sui*cide : ২৮ পাতার সুইসাইড নোট লিখে আ*ত্মঘাতী ইঞ্জিনিয়ার!ওলা মালিক ভাবীশ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে ইঞ্জিনিয়ার হেনস্তার অভিযোগ!

চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রযুক্তি মহলে—এক ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যুর পর সামনে এসেছে এমন কিছু অভিযোগ যা কাঁপাচ্ছে কর্পোরেট দুনিয়াকে। দীর্ঘ ২৮ পৃষ্ঠার ‘সুইসাইড নোট’ রেখে নিজের প্রাণ নিয়েছেন যুবকটি। তাতে যে নামগুলির উল্লেখ রয়েছে, তার মধ্যে আছেন এক জনপ্রিয় স্টার্টআপ সংস্থার প্রধানও। মৃতের পরিবারের দাবি, প্রয়াত ইঞ্জিনিয়ারকে নিত্যদিনের হেনস্তা ও মানসিক চাপে শেষ পর্যন্ত এই চরম পথ বেছে নিতে হয়েছে।

পরিবার সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী ওই যুবক দীর্ঘদিন ধরেই অসহায় ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমে অবনতি ঘটছিল বলেও জানা গিয়েছে। মৃত্যুর পর তাঁর ভাই একটি চিঠি হাতে পান, যেখানে কর্মস্থলে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের থেকে পাওয়া অপমানের বর্ণনা রয়েছে। সেই চিঠিতেই উঠে এসেছে সংস্থার মালিক ও আরও কয়েকজন শীর্ষকর্তার নাম, যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মৃত ইঞ্জিনিয়ার।

চিঠি অনুযায়ী,তাঁকে বারবার অবমাননা করা হত, ঠিকমতো বেতন দেওয়া হতো না। নিয়মিত অফিসে অপদস্থ হতে হতে তিনি অসহ্য মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করছিলেন। আরও বিস্ময়কর তথ্য প্রকাশ পেয়েছে—মৃত্যুর দু’দিন পরই তাঁর অ্যাকাউন্টে হঠাৎ জমা পড়ে প্রায় সাড়ে ১৭ লক্ষ টাকা। এই টাকা কোথা থেকে এল, কেন পাঠানো হল—তার এখনও কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা, এই অর্থের উৎস কি সত্যিই সংস্থার কাছ থেকেই এসেছে?

এই ইঞ্জিনিয়ার বেঙ্গালুরুর চিক্কালসান্দ্রা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়িতেই বিষ খেয়ে প্রাণ দেন তিনি। মৃত্যুর কয়েকদিন পর পরিবারের হাতে এসে পৌঁছায় সেই ২৮ পাতার চিঠি, যা একসময়ে নীরবে সহ্য করা সমস্ত যন্ত্রণা উজাড় করে দিয়েছে। ওই চিঠিতে সুব্রতকুমার দাস নামে আরও এক কর্মকর্তা সম্পর্কে অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে মৃতের ভাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভাবীশ আগরওয়ালসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুনঃ Astrology: শনির কৃপায় সুদিন ৩ রাশির জীবনে, মিলতে পারে সাফল্য ও সমৃদ্ধি – আপনি কি সেই তালিকায় আছেন?

অন্যদিকে, অভিযুক্ত সংস্থা ‘ওলা’ একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, “অরবিন্দর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।” সংস্থার দাবি, প্রয়াত কর্মী কখনওই তাঁদের কাছে হয়রানির অভিযোগ জানাননি এবং তাঁর সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সরাসরি কোনও যোগাযোগও ছিল না। পাশাপাশি ‘ওলা’-র পক্ষ থেকে কর্ণাটক হাই কোর্টে পালটা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। বর্তমানে ঘটনাটি ঘিরে শুরু হয়েছে বিস্তর আইনি লড়াই এবং জনমতের ঝড়, যা কর্পোরেট মানসিক চাপের বাস্তবতাকে নতুনভাবে সামনে আনছে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles