করোনার জেরে দেশ জুড়ে জারি হয়েছে লোকডাউন। যার জন্য মানুষের বাড়ির বাইরে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। পাশাপাশি শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানই প্রধানত খোলা আছে। এই লকডাউনে বন্ধ রয়েছে মদের দোকানও।
মদ না পেয়ে ইতিমধ্যেই দেশে অনেক জায়গা থেকেই আত্মহত্যার খবর এসেছে। এমনিতেই অনেকে এই পরিস্থিতিতে বাড়িতে বন্ধ থেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি যারা রোজ মদে আসক্ত তারাও মানসিক অবসাদে ভুগছেন।
এমন পরিস্থিতি মাথায় রেখে মদের হোম ডেলিভারিতে ছাড়পত্র দিল মেঘালয় সরকার। তবে এর জন্য প্রয়োজন চিকিত্সকের অনুমতি । ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন থাকলে তবেই বাড়ি বসেই মদ পাবেন ক্রেতা ।
নাগরিকদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সরকার। করোনা ঠেকাতে ১৪ এপ্রিল অবধি দেশজুড়ে লকডাউন । এমন অবস্থায় অ্যাকিউট উইথড্রাল সিনড্রোমের কারণে বেশ কিছু মৃত্যুর ঘটনা ঘটে । মদ না খেয়ে কেউ নেশার তেষ্টা মেটাতে খাচ্ছেন শেভিং ক্রিম, কেউ স্পিরিটের সঙ্গে জল-কোল্ড ড্রিংক মিশিয়ে পান করছেন যার ফলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে।
শুধু মেঘালয় সরকারই নয়, কেরল সরকার ইতিমধ্যেই ডাক্তারের ‘প্রেসক্রিপশন’ দেখিয়ে মদ কেনার ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্যে । যদিও তাতে সমস্যা মেটেনি।
গত সাত দিনে ৬ জন মদ না পাওয়ায় আত্মহত্যা করেছেন। ডি-অ্যাডিকশন বিশেষজ্ঞরাই জানাচ্ছেন, এমনটা চলতে থাকলে আগামী কয়েকদিনে আত্মহত্যার ঘটনা আরও বাড়তে পারে। সেই সমস্যা মাথায় রেখেই মেঘালয় সরকারের এমন সাহসী পদক্ষেপ ।





