এক কাপ চা না পেয়ে স্ত্রীর গোপনাঙ্গে লঙ্কার গুঁড়ো ঘষে ‘শাস্তি’ স্বামীর, নজির চরম অমানবিকতার

যুগে যুগে নারীরা হয়ে আসছে শোষিত ও অবহেলিত। চিরকালই পুরুষ সমাজ পায়ের নিচে রাখতে চেয়েছে নারীদের। নারীদের কোনো স্বাধীনতা নেই, নারীরা ঘরের কাজ করার জন্যই জন্মেছে– এমনই মানসিকতা পুরুষদের। এরই সূত্র ধরে এক নির্মমতার ঘটনার সাক্ষী থাকল আমেদাবাদ, এক কাপ চা না পেয়ে স্ত্রীর গোপনাঙ্গে লঙ্কাগুঁড়ো ঘষে দিল স্বামী।

ইতিমধ্যেই স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বছর তেইশের এই স্ত্রী। জানা গেছে খুব কম বয়সেই বিয়ে হয় তার। ঘটনাটির সূত্রপাত হয় সোমবার, শীতলা সতম নামে এক পুজো করেন মহিলা। এই পুজোর প্রথা অনুযায়ী সেইদিন ঘরের হেঁশেলের উনান জ্বালানো নিষিদ্ধ। অথচ সেই পুজোর দিনেই যখন মহিলার শাশুড়ি ও স্বামী তার থেকে চা চেয়ে বসে তখনই সমস্যা শুরু হয়। সে বলে পুজোর রীতি অনুযায়ী হেঁশেলে আগুন জ্বালানো যাবে না। ব্যাস এর পরেই শাশুড়ি ও স্বামীর কোপের স্বীকার হন ঘরের বউমা। শুরু হয় তুমুল ঝগড়া। ওই মহিলা পাশের দোকান থেকে চা আনার ব্যবস্থা করতে গেলেও তাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে আসা হয় বাড়িতে।

এর পরেই শুরু হয় অকথ্য অত্যাচার। প্রথমে তাকে মারার জন্য তার স্বামীর হাতে লাঠি তুলে দেয় তারই শাশুড়ি। তাকে পাথর দিয়ে মারা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বেধড়ক মারধরের পর তার যৌনাঙ্গে লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে তাঁকে শাস্তি দেন তার স্বামী। এরপর যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন ওই মহিলা।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ঘটনার পরেই সমস্ত ঘটনা থানায় জানিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা। সন্তান জন্মানোর পর থেকেই তার ওপর অত্যাচার চলত এ কথা জানান তিনি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আর কতদিন নারীরা এভাবেই শোষিত হয়ে যাবে এবং সমস্ত নারীরাই কবে আত্মপ্রতিষ্ঠিত হতে পারবে সেটাই দেখার।

প্রতিবেদনটি লিখেছেন – অন্তরা ঘোষ

Khabor24x7

আমি শুভ, সঠিক খবর পরিবেশনের ইচ্ছায় হঠাৎই এই নিউজ পোর্টালটি শুরু করি। ধীরে ধীরে এরপর নিউজ পোর্টালটিতে আরও একাধিক ব্যাক্তি যুক্ত হন। এখন আমি নিউজ পোর্টালটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছি। এছাড়াও বিনোদন, কর্মক্ষেত্র, এবং অফবিট বিভাগে লিখতে পছন্দ করি। Email - [email protected]

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর