ত্রিপুরাতে গিয়েই প্রশাসনের বাধার মুখে পড়তে হয় প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাককে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাদের মনোবল ভাঙেনি। এই কারণেই বিজেপি শাসিত সে রাজ্যে নিজেদের কাজ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তই নিয়েছে আইপ্যাক।
আসলে, এ রাজ্যে মোদী-শাহ জুটিকে আটকে দেওয়ায় পিকে সংস্থার উপর বেশ নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে তৃণমূল। আইপ্যাকের এই শক্তিকে তাই এবার ভিন রাজ্যেও কাজে লাগাতে চাইছে তারা। এই কারণেই উত্তর-পূর্বের বিজেপি শাসিত রাজ্যে কাজ করতে যায় আইপ্যাক। কিন্তু সেখানে কাজের মুখেই বাধা পায় তারা। কিন্তু কোনও মতেই দমতে দাবী নয় এই সংস্থা।
আরও পড়ুন- মানবাধিকার কমিশনের সদস্যরা বিজেপি ঘনিষ্ঠ, আদালতে পাল্টা হলফনামা জারি রাজ্য সরকারের
অভিযোগ ওঠে, ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে ২৩ জন আইপ্যাক সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কোনওরকম বৈধ অনুমতি ছাড়াই ত্রিপুরায় তারা নাকি একটি সমীক্ষা চালাচ্ছিলেন। এমনকী, ভুয়ো পরিচয় দিয়ে নানান এলাকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করছিলেন তারা, এমন অভিযোগও ওঠে ধৃতদের বিরুদ্ধে। এমন ঘটনা সামনে আসতেই বিপ্লব কুমার দেবের সরকারের বিরুদ্ধে রীতিমতো গর্জে ওঠেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অন্যদিকে, পুলিশ জানায়, রুটিন তল্লাশি চালানোর সময় একটি হোটেল থেকে আইপ্যাকের এই সদস্যদের আটক করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার। এদিন তাদের রাতভর আটকে রাখা হয়। ত্রিপুরায় তারা ঠিক কী ধরনের কাজ করছিলেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছে ধৃতদের থেকে। তবে পরে অবশ্য পুলিশ আধিকারিকের তরফে কোভিড পরীক্ষার অজুহাত দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন- বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকারের, এক ধাক্কায় এবার অনেকটাই কমতে চলেছে মুসুর ডালের দাম
প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই আইপ্যাকের সদস্যদের গতিবিধির উপর নজর রাখার খবর আসছিল। রাজ্যের নানান জায়গায় আইপ্যাকের সদস্যরা ছড়িয়ে পড়েছেন, এমন খবরও পাওয়া যায়। জানা যায়, নানান মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন তারা। এর উপর ভিত্তি করে ডেটাবেস তৈরি করা হচ্ছে বলেও খবর। এমন পরিস্থিতিতে আইপ্যাক সদস্যদের আটক করে রাখার বিষয়টি সামনে আসতে কিছুটা ধাক্কা খেল বিপ্লব দেবের সরকার।





