ভারতে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনার প্রকোপ, ফলে বাড়ছে মাস্কে চাহিদা। কিন্তু এই মুহূর্তে শুরু হয়েছে মাস্কের আকাল। অনেক জায়গায় আবার সুযোগ বুঝে শুরু হয়ে গিয়েছে মাস্কের কালোবাজারি। এই অবস্থায় মাস্কের জন্য চিনের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে ভারতকে।
ইনভেস্ট ইন্ডিয়া নামের একটি সংস্থা সম্প্রতি করোনা রুখতে দেশের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছে। তাঁদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, করোনা রুখতে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর মাত্র ২৫ শতাংশ মজুত আছে ভারতে। তাদের বক্তব্য চিকিৎসার জন্য মাস্ক, ভেন্টিলেটর এবং PPE (Personal protective equipment) তৈরির জন্য মোট ৭৩০টি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল এবং মাত্র ৩১৯টি সংস্থা থেকে ইতিবাচক জবাব মিলেছে।
দেশে করোনা পরীক্ষার কিটের ঘাটতি মেটাতে দেশে মাস্ক এবং চিকিৎসকদের জন্য Personal protective equipment তৈরি করার চেষ্টা চলছে। সেই প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘আমাদের দেশে এই সরঞ্জামগুলি তৈরি হতে সময় লাগবে। তাই চিন থেকে আমাদের এগুলো কিনতেই হবে।’
অন্যদিকে ইতিমধ্যেই চিনের চিকিৎসা সরঞ্জামের গুণগত মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ড, স্পেনের মতো কয়েকটি দেশ। এমনকী গুণগত মান খারাপ হওয়াই বহু পণ্য ফেরতও দিয়েছে এই দেশগুলি। পণ্যের মান নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা স্বীকার করে নিয়েছে চিনের বিদেশ মন্ত্রকও। তাই চিন থেকে কেনা পণ্য কতটা ব্যবহারের উপযোগী হবে সেই নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তবে, যতদিন না দেশীয় পদ্ধতিতে এই চিকিৎসা সরঞ্জামগুলি তৈরি হচ্ছে, ততদিন ভারতের ভরসা সেই চিনই।





