২৬শে জুলাইয়ের মধ্যে ভারত থেকে বিদায় নেবে করোনা, দাবি গবেষকদের

কবে পালাবে করোনা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে সবার মনে।

বিভিন্ন দেশের গবেষকরাই এই কাজে নেমে পড়েছেন বেশ অনেকদিন ধরেই ৷ ভ্যাকসিন তৈরিতেও অনেক দেশই এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু সাফল্য পেয়েছে৷ ভারতেও ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হচ্ছে জলদি।

এবার সিঙ্গাপুরের ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজাইনের রিপোর্টে মিলল কিছুটা স্বস্তির খবর৷ ভারতের জন্য রয়েছে সুখবর।

দেশজুড়ে লকডাউনের মধ্যেও ৩০ হাজার ছোঁয়ার পথে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। মৃতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ৯৩৭। আগামী ৩রা মে-র পরেও গ্রিন জোন বাদে সর্বত্র যে লকডাউন থাকছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। এই পরিস্থিতিতে
গৃহবন্দি দশায় পাগল হয়ে যাওয়ার জোগাড় সাধারণ মানুষের।

কিন্তু করোনার হাত থেকে কবে মুক্তি পাওয়া যাবে?

সিঙ্গাপুরের বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষণা অনুযায়ী, ভারতে মে মাসেই নিয়ন্ত্রণে আসবে করোনা৷ ২১-২২ মে-র মধ্যেই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে করোনা ৷ ভারতে ৯৭% পর্যন্ত কমতে পারে করোনা সংক্রমণ ৷ ১লা জুনের মধ্যে ৯৯% করোনা আক্রান্তই সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন৷ আর ২৬শে জুলাইয়ের মধ্যে পুরোপুরি করোনা
মুক্ত হতে পারে ভারত ৷ ডিসেম্বরে করোনা থেকে মুক্ত হতে পারে গোটা বিশ্বও৷

এই গবেষণা কোথাও যেন আশা ফিরিয়ে এনেছে ভারতবাসীর। সিঙ্গাপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের পূর্বাভাসও। ICMR-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা শীর্ষে পৌঁছতে পারে। এরপর মে-র দ্বিতীয়ার্ধ থেকে কমতে পারে আক্রান্তের সংখ্যা ৷

কী ভিত্তিতে এই আশার আলো দেখাচ্ছেন গবেষকরা?

চীনের করোনা পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে একটি গাণিতিক মডেল তৈরি করেছেন সিঙ্গাপুরের গবেষকরা৷ গবেষণায় চীনের মডেলের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে৷

তবে এই মডেলের বিরোধিতাও করছেন অনেকে। অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন, এই গবেষণার সঙ্গে বাস্তব চিত্র মেলার সম্ভাবনা কম। কারণ সিঙ্গাপুরের গবেষণাটি করা হয়েছে মূলত ধারণা ও পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে। আর চীনের সঙ্গে ভারত বা অন্য কোনও দেশের পরিস্থিতি মিলবে, তার কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। তাই এই গবেষণাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ অনেকেই। তবুও আশায় বুক বাঁধছেন সাধারণ মানুষ।

RELATED Articles

Leave a Comment