গত ২২ শে জুলাই চন্দ্রযান -২ পৃথিবী ছেড়ে পাড়ি দিয়েছিল চাঁদের পথে। কথা ছিল গত ৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে চাঁদের রহস্যময় দক্ষিণ মেরুর মাটি স্পর্ষ করবে চন্দ্রযান – ২ এর ল্যান্ডার বিক্রম। সেইমতোই অরবিটার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে বিক্রম এগিয়ে গিয়েছিল চন্দ্র পৃষ্ঠের দিকে সফট ল্যান্ডিং এর জন্য। কিন্তু চাঁদের মাটি ছুলেও যোগাযোগ সম্পূর্ণ ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিক্রমের সঙ্গে ইসরোর৷
Check out best Bengal Football website
এরপর ইসরোর তরফে জানানো হয় যে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করবে ইসরো। এরপর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে রাত শুরু হয়ে যাওয়ায় সোলার চালিত বিক্রম শক্তিহীন হয়ে পরবে ফলে আর যোগাযোগের কোনো উপায় থাকবেনা। কথামতোই এতোদিন ধরে বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চালায় ইসরো। ইসরোর সঙ্গে বিক্রমের খোঁজ চালায় নাসাও। কিন্তু আজ ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমার মধ্যে আর যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলোনা বিক্রমের সঙ্গে। এদিন এই বিষয়ে পরিষ্কার ভাবে ইসরো প্রধান কে শিভান জানিয়েদিলেন যে বিক্রমের সঙ্গে আর যোগাযোগের আশা নেই।
তবে এরজন্য হতাশ হয়ে থেমে পরবেনা ইসরো। ইসরো প্রধান কে শিভান জানিয়েছেন যে চন্দ্রযান – ২ এর অরবিটারটি খুব ভালো কাজ করছে। কাজেই মিশনটি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়নি। আর এবারে ইসরোর পরবর্তী লক্ষ্য ‘গগনযান’। ২০১৮ সালে স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন যে আগামী ২০২২ সালের মধ্যে ভারত থেকে মানুষ মহাকাশে যাবে। আর তাই এবারে সেই লক্ষ্য ধরেই এগিয়ে যাবে ইসরো। এরজন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে একটি ক্যাপসুল যা তিনজন মহাকাশচারীকে দিনে টানা ৭ দিন মহাকাশে পৃথিবীর চারদিকে চক্কর কাটবে। এই অভিযানের জন্য ইতিমধ্যেই ১২ জন নির্বাচিত বায়ুসেনা পাইলটকে পাঠানো হয়েছে রাশিয়াতে। সেখানে নানান পরীক্ষার মাধ্যমে এই অভিযানের জন্য বেঁছে নেওয়া হবে তিনজন মহাকাশচারীকে।





