দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাথে দেখা করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা চারবারের সংসদ সদস্য জ্যোতিরাধিত্য সিন্ধিয়া টুইটার-এর মাধ্যমে কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেন। ৯ই মার্চ চিঠির মাধ্যমে কংগ্রেস প্রধান সোনিয়া গান্ধীর উদ্দেশ্যে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
তিনি পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, “শুরু থেকেই যদিও আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল একই সাথে থেকে আমার রাজ্য ও দেশের জনগণের সেবা করা, আমি বিশ্বাস করি এই দলের (কংগ্রেস) মধ্যে আর এটি করতে পারছি না।”
সিন্ধিয়ার এই পদক্ষেপ রাজ্যের কংগ্রেস সরকারকে এক নাটকীয় পতনের দ্বারপ্রান্তে এনে ফেলেছে, সূত্রের মতে প্রভাবশালী এই নেতা আজ বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন এবং রাজ্যসভায় সদস্য হিসাবে মনোনীত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
— Jyotiraditya M. Scindia (@JM_Scindia) March 10, 2020
সূত্র আরও বলছে যে কংগ্রেসের প্রায় ২০ জন বিধায়ক মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার স্পিকারের কাছে পদত্যাগের চিঠি জমা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন যা ১৫ মাস বয়সী কংগ্রেসের কমলনাথ সরকারকে পতন করতে চলেছে বলেই খবর।
সঙ্কট উদ্ভূত হওয়ার সাথে সাথে বরিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা কেসি ভেনুগোপাল সোনার গান্ধীর সাথে নয়াদিল্লিতে সাক্ষাত করতে পৌছেছেন। এবং বিজেপিও তাদের বিধায়কদের ভোপালে বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছেন, সন্ধ্যা ৬ টায় একটি হোটেলে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাদের এবং শীঘ্রই বিজেপি-র তরফে রাজ্যপালের কাছে সরকার তৈরীর দাবীও জানানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্ভবত শিবরাজ সিং চৌহানকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হিসাবে উপস্থাপন করতে চলেছে মধ্যপ্রদেশ বিজেপি।
এদিকে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং সাংবাদিকদের বলেন, “সরকারকে পতনের ষড়যন্ত্র” হচ্ছে। যদিও স্বভাববতই চৌহান এই বক্তব্যকে “মিথ্যা” বলে অভিহিত করেছেন।





