দেশ এখন উত্তাল উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে এক দলিত কিশোরীকে নৃশংস ভাবে গণধর্ষণ করে হত্যার প্রতিবাদে। উত্তরপ্রদেশে দলিতদের উপর উচ্চবর্ণের হিন্দুদের অত্যাচারের ঘটনা নতুন নয় কিন্তু ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (এনসিআরবি) সমীক্ষা বলছে অন্য কথা।
২০১৯ সালের সমীক্ষা সম্প্রতি প্রকাশ করেছে এনসিআরবি। দলিত মহিলাদের ধর্ষণের বিচারে দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে কেরালা (৪.৬)!
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান (৪.৫)। কিন্তু কেরালার নাম শুনে চমকেছেন অনেকেই! দেশের যে রাজ্যে সবথেকে বেশি শিক্ষার হার সেই রাজ্যেই দলিত মহিলাদের ধর্ষণের হার সারা দেশের মধ্যে বেশি?
তাহলে যোগী সরকারের মত পিনারাই বিজয়ন সরকারও দোষী, বলছে ওয়াকিবহাল মহল। যদিও এই খবর নিয়ে এখনও খুব বেশি নাড়াচাড়া হয়নি এবং যে বাম নেতারা এই খবর সম্পর্কে অবগত হয়েছেন তারাও মুখে কুলুপ এঁটেছেন।
এছাড়াও এনসিবির তরফ থেকে জানানো হয়েছে ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ভারতে মহিলাদের ওপর হিংসার হার বেড়েছে ৭.৩ শতাংশ। তপশিলি জাতির মহিলাদের ওপর হিংসা একই হারে বেড়েছে। যেখানে কেরালার স্থান অনেক উপরে কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে বাংলার অবস্থা অনেকটাই ভালো।
যদিও যোগী সরকারের হাল খুব একটা ভালো নয়। উত্তরপ্রদেশে মহিলাদের উপর অত্যাচার এবং তপশিলি জাতির উপর অত্যাচারের হার সর্বাধিক (সংখ্যার বিচারে)। অন্যদিকে রাজস্থানে আবার তপশিলিজাতিদের ওপর অত্যাচারের হার সারাদেশে শতাংশের হিসেবে সর্বাধিক। এনসিআরবি বলছে ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের প্রতি লক্ষ্য জনসংখ্যায় অপরাধের হার বেড়েছে ২১.২%। ২০১৯ সালে তপশিলি জাতিদের উপর অত্যাচার এর হার বেড়েছে ২৮.৯%।
আবার রাজস্থানে যদি সংখ্যার বিচার করা যায় তাহলে এই সময়ে সব থেকে বেশি দলিত মহিলাদের (৫৫৪) ধর্ষণ করা হয়েছে। অর্থাৎ কংগ্রেস সরকারও কম কিছু নয়। বিগত ১৩ দিনে রাজস্থানে নয়টি গণধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছে। তাই দলিত মহিলাদের ওপর অত্যাচারের দায় এই সরকারদেরও নিতে হবে, বলছে ওয়াকিবহাল মহল।





