দেশে এখন করোনাভাইরাসের সংক্রমন হু হু করে বাড়ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৯হাজার ছাড়িয়েছে সংক্রমনের সংখ্যা। সংক্রমন রুখতে দেশজুড়ে ২৪শে মার্চের মধ্যরাত থেকে চলছে লকডাউন। তবে এখন কিছুটা হলেও ছন্দে ফিরছে ভারতের দুই রাজ্য, অসম ও মেঘালয়। দুই রাজ্যের আবগারি দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে সোমবার থেকেই দুই রাজ্যে মদের দোকান খোলা হবে।
মেঘালয়ে রাজ্যে সকাল ৯ টা এবং ৭ ঘন্টার জন্য খোলা থাকবে মদের দোকান। সরকারি আধিকারিকদের তরফে জানানো হয়েছে সামাজিক দূরত্ব ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখেই এই দোকানে বিক্রি চলবে।
অসমের ক্ষেত্রে সকাল ১০টা থেকে মদের দোকান খোলা হবে বিকেল ৫টা অবধি। সেখানে সর্বনিম্ন কর্মী নিয়ে দোকান চালাতে হবে। নগদ এবং বোতল লেনদেনের সময় স্যানিটাইজারের ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে হবে। এমনটাই নির্দেশ অসমের আবগারি দফতর। তবে অসমে শুধু মদের দোকান নয় পাশাপাশি খোলা থাকবে গুদাম ঘর ও ডিস্টিলারিজ।
সারা দেশ করোনা থাবায় জর্জরিত হলেও এখনও মেঘালয়ে করোনা আক্রান্ত হননি কেউই। তাই মেঘালয়ের সাধারণ মানুষ বারবারই মদের দোকান খোলা রাখার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। অবশেষে মেঘালয় ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স পার্টির সরকার সিদ্ধান্ত নিল মদের দোকান খোলা রাখার। আবগারি দফতরের কমিশনার প্রবীণ বক্সি সব জেলার ডেপুটি কমিশনারদের চিঠি দিয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত করেছেন।
লকডাউনের মাঝে কিছু মানুষের মদ না পেয়ে আত্মহত্যার খবর সামনে আসার পর, কেরল সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল চিকিৎসকদের প্রেস্ক্রাইব করা অ্যালকোহল হোম ডেলিভারি করবে প্রশাসন। কিন্তু হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত তা স্থগিত আছে ।
কয়েকদিন আগেই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। তিনি টুইট করে জম্মু ও কাশ্মীরে মদ বিক্রির পক্ষে বলেছেন, “কাশ্মীরে বহু জায়গায় মাংস-সহ অন্যান্য অতিপ্রয়োজনীয় জিনিস মিলছে না। কিন্তু দেখুন অন্যান্য রাজ্য মদকেও অতিপ্রয়োজনীয় তালিকায় রাখছে।” প্রসঙ্গত অসমে এ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত ২৯ এবং মৃত্যু হয়েছে ১ জনের।





