ভয়ঙ্কর! ডিমের কারী রান্না করতে অস্বীকার প্রেমিকার, রাগের বশে লিভ-ইন সঙ্গিনীকে পিটিয়ে খু’ন প্রেমিকের

লিভ-ইন সঙ্গীর কাছ থেকে খেতে চেয়েছিলেন ডিমের কারি‌। বানিয়ে দিতে অস্বীকার করে সঙ্গী। তাতেই এই পরিণতি। ডিমের কারি‌ বানাতে অস্বীকার করায় রেগে যান ব্যক্তি। ডিমের কারি‌ বানাতে অস্বীকারের পরিণতি যে এত ভয়ানক হতে পারে তা কেউ কখনও ভেবেই উঠতে পারবেন না। ডিমের কারি‌ বানাতে অস্বীকারের জেরেই কোমর থেকে বেল্ট খুলে মারতে শুরু করলেন লিভ ইন সঙ্গীকে।

মার খেয়ে মেঝেতে শুয়ে কাতরাতে থাকেন প্রেমিকা, এমন ভয়ঙ্কর পরিণতি। তখনও মেজাজ আগুন যুবকের। রাগের বশে ঘরের কোণে রাখা হাতুড়ি দিয়ে সজোরে মাথায় ও শরীরে আঘাত করতে শুরু করেন। এমনকি প্রেমিকার মৃত্যুর পর তাঁর দেহ ফেলে রেখে, বেরিয়ে গেলেন কাজে। এমন ঘটনা ঘটেছে গুরুগ্রামে।

জানা গিয়েছে লল্লনের বাড়ি বিহারের মাধেপুরে। তাঁর আগের পক্ষের একটি বিয়ে ছিল। ছয় বছর আগে সাপের কামড়ে সেই স্ত্রীর মৃত্যু হয়। সাত মাস আগে কাজের খোঁজে দিল্লিতে এসে তখন অঞ্জলির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। লল্লনের সব কথাই জানতেন যুবতী। একসঙ্গে লিভ ইনে থাকছিলেন তাঁরা।থাকতেন একসঙ্গেই, সকাল হলেই কাজে বেরতেন দুজনে। লিভ ইন কাপলদের ঘর পাওয়া অসুবিধা হয়ে দাঁড়ায়, তাই বাড়ি মালিকের কাছে পরিচয় দিয়েছিলেন স্বামী-স্ত্রী হিসাবে।

শনিবার লিভ-ইন সঙ্গীকে খুনের অভিযোগে লল্লন যাদবকে গ্রেফতার করে গুরুগ্রাম পুলিশ। ওই ব্যক্তির বয়স পঁয়ত্রিশের কাছাকাছি। চলতি সপ্তাহের গুরুগ্রামের চাউমা গ্রামে একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি থেকে ওই যুবতীর দেহ উদ্ধার হয়। যুবতীর নাম অঞ্জলি, বয়স ৩২। বস্তা-প্যাকেট কুড়িয়ে তা বিক্রি করাই তাঁর পেশা ছিল। বাড়ির কেয়ারটেকারই প্রথমে যুবতীর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তারপরেই পুলিশে খবর দেন তিনি।

ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই যুবতীর প্রেমিকের খোঁজ চালায় পুলিশ। শনিবার দিল্লির সরাই কালে খান এলাকা থেকে লল্লন যাদবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জেরায় জানা যায়, অভিযুক্ত লল্লন মদের নেশায় লিভ-ইন সঙ্গীকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে খুন করেছে। জেরায় লল্লন জানিয়েছে, “গত বুধবার মদ্যপ অবস্থায় অঞ্জলিকে বলেছিলেন ডিমের কারি রান্না করতে। কিন্তু অঞ্জলি রান্না করতে অস্বীকার করায়, রাগের বশে তাঁকে হাতুড়ি ও বেল্ট দিয়ে পিটিয়ে মারেন তিনি।”

আরও অন্যান্য খবর