কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রতিবাদে তিনি দিল্লি গিয়ে আন্দোলন করেছেন। রাজভবনের সামনে ধর্নাতেও বসেছেন। কিন্তু কেন্দ্রের থেকে মেলেনি বকেয়া টাকা। ব্রিগেডের ময়দান থেকে বরাদ্দের প্রশ্নে কেন্দ্রকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তিনি। দাবী করেছিলেন, ১০০ দিনের কাজ ও আবাস প্রকল্পে টাকা দেয়নি কেন্দ্র। এবার ফের একবার কেন্দ্রকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একহাত নিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের তরফে একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে জানানো হয় যে বাংলায় নানান প্রকল্পে কেন্দ্র কত তালা বরাদ্দ করেছে। আর রাজ্য সরকারের অনীহার কারণেই যে সেই টাকা বাংলার মানুষ পাচ্ছেন না, সেই দাবীও করা হয় ওই বিজ্ঞাপনে। এই ঘটনায় বিজেপিকে মুখোমুখি তাঁর সঙ্গে তর্কে বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির সভায় এই জন্য দুটি পোডিয়ামও বানানো হয়। যদিও বিজেপির কেউ আসেনি।
সোশ্যাল মিডিয়াতেও অভিষেক এই নিয়ে লিখেছেন, “মিথ্যা কথা ছড়াবেন না। বিজেপি নেতৃত্বকে বলব, আমার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান ডিবেটে বসুন। আবাস যোজনা ও এমজিএনআরইডিএ-র ১ টাকাও যদি দিয়ে থাকেন, তাহলে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুন”।
এবার আজ, সোমবার গঙ্গারামপুরের সভা থেকে এক চ্যালেঞ্জ জানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবী, বাংলায় নির্বাচনে হেরে গিয়ে বাংলায় প্রকল্পের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। তিনি বলেন, “মোদীজির গ্যারান্টি ভাষণ, আর দিদির গ্যারান্টি রেশন। গত তিন বছরে আবাস এবং ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে ১০ পয়সা বরাদ্দ করা নিয়েও যদি বিজেপি শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে পারে, তবে রাজনীতির ময়দানে পা রাখব না”। বঞ্চনার ইস্যুতে তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে তাঁর সঙ্গে মুখোমুখি তর্কে বসার আহ্বানও জানিয়েছেন।
তবে অভিষেকের কথায়, বিজেপির কেউ তাঁর সঙ্গে তর্কে আসতেই চাইছে না। তাঁর চ্যালেঞ্জকে ভয় পাচ্ছে বিজেপি, এমনটাই দাবী তৃণমূল নেতার। এরপরই আমজনতার উদ্দেশে তাঁর বার্তা, “নিজেদের অধিকারকে সামনে রেখে ভোট দিন। কারণ যাকে ভোট দিচ্ছেন তাঁরাই আপনার বরাদ্দের টাকা আটকে দিচ্ছে। কার গ্যারান্টি জনগণ নেবে, তা তাদেরকেই ভেবে দেখতে হবে”।





