জুলাই মাস পড়তেই গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে নয়া ঘোষণা সামনে এল। অনেকেই ধরেই নিচ্ছেন, বুঝি রান্নার খরচ কিছুটা হলেও কমতে চলেছে। বাড়তি আশার জায়গা তৈরি হয়েছে মধ্যবিত্তদের মধ্যে। তবে সত্যি কি তাই? আদৌ কি সস্তা হল ঘরোয়া গ্যাস, নাকি অন্য কোনও রকম পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে এই দামের হেরফেরে?
১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া এই দাম পরিবর্তনের জেরে ফের আলোচনার কেন্দ্রে এল এলপিজি সিলিন্ডার। তবে যাঁরা আশা করেছিলেন, তাঁদের রান্নার খরচ এবার কিছুটা হালকা হবে, তাঁদের জন্য বড় ধাক্কা রয়েছে। কারণ, ১৪.২ কেজির সেই ঘরোয়া সিলিন্ডারের দামে কোনও হেরফের হয়নি। ফলে মধ্যবিত্ত সাধারণ পরিবারের জন্য কোনও বাস্তব স্বস্তি এখনও অধরা।
আসলে দাম কমার সুবিধা মিলেছে একেবারে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে। হোটেল, রেস্তোরাঁ কিংবা ছোট ছোট ক্যাটারিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জন্য এ এক বড় রকমের স্বস্তির খবর। জুলাই মাসে এক লাফে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমল ৫৮ টাকা ৫০ পয়সা করে। এর আগে এপ্রিল, মে ও জুন মাসেও ধাপে ধাপে কমানো হয়েছে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম। সব মিলিয়ে চার মাসে এক্ষেত্রে কমেছে প্রায় ১৩৮ টাকারও বেশি।
দিল্লিতে ১ জুলাই থেকে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম দাঁড়িয়েছে ১৬৬৫ টাকা। কলকাতায় এই সিলিন্ডারের জন্য গুনতে হবে ১৭৬৯ টাকা। মুম্বইয়ে নতুন দাম ১৬১৬ টাকা আর চেন্নাইতে তা পৌঁছেছে ১৮২৩.৫০ টাকায়। মার্চেন্ট ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ছোট দোকানদারদের জন্য এটা বড় স্বস্তির সুযোগ এনে দিতে পারে। কারণ, ক্রমবর্ধমান ইনফ্লেশন ও পরিচালন ব্যয় সামলানো তাঁদের পক্ষে এখন বিশাল চ্যালেঞ্জ।
আরও পড়ুনঃ Kasba : “৫০ হাজারে সিট, ২ লাখেও বিক্রি!” আইন কলেজে টাকার খেলায় ভর্তি? জ়ইব ইস্যুতে উঠল মনোজিৎ ঘনিষ্ঠদের নাম!
যাঁরা প্রত্যাশা করেছিলেন জুলাই পড়তেই গ্যাসের খরচ কিছুটা কমবে, তাঁদের একটা বড় অংশ নিরাশ হবেনই। কারণ ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম গত ৭ এপ্রিল যেভাবে ৫০ টাকা বেড়েছিল, সেই দামই এখনও বহাল। কোনও ছাড় নেই সেখানে। তবে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা পরপর চার মাসে যে রকম দামের ছাড় পাচ্ছেন, তা নিঃসন্দেহে তাঁদের দৈনন্দিন ব্যয় সামাল দিতে খানিকটা হলেও সাহায্য করবে। সস্তা গ্যাসে কমবে রান্নার খরচ, আর তাতেই কিছুটা হাসি ফিরবে ছোট ব্যবসার মুখে।





