বাড়ির থেকে বাইরে কোথাও গেলে বা বিশেষত অফিসের কাজে গেলে বাইরের খাবার সকলকেই কমবেশি খেতেই হয়। অনেকেই ফুটপাতের দোকান থেকে খাবার খেতে পছন্দ করেন না, কারণে সেখানে সেভাবে পরিচ্ছন্নতা বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হয় না। কিন্তু বড় বড় নামী রেস্তোরাঁতেও কী স্বাস্থ্যবিধি আদৌ মেনে চলা হয়?
নামীদামী রেস্তোরাঁর খাবার খেয়েই এবার আশঙ্কাজনক অবস্থা হল এক ব্যক্তির। নামকরা এক রেস্তোরাঁ যার শাখা ছড়িয়ে রয়েছে নানান রাজ্যে, সেই রেস্তোরাঁর খাবার খেয়েই হাসপাতালের বেডে শুয়ে এক ব্যক্তি। তাহলে দামী রেস্তোরাঁতে দামী খাবার অর্ডার করেই বা কী লাভ, সেই যদি অসুস্থই হয়ে পড়তে হয়!
কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?
এমন ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের বাসিন্দা রাজীব শুক্লার সঙ্গে। জানা গিয়েছে, চলতি মাসের প্রথমের দিকে অফিসের কাজে মুম্বই গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে নামী এক রেস্তোরাঁ থেকে ভেজ থালি অর্ডার করেছিলেন ওই ব্যক্তি।
সেই থালিতে ছিল ভাত, রুটি, ডাল, সবজি, মিষ্টি। খাবার খাওয়ার পরই নাকে কিছুটা পচা, বোটকা গন্ধ পেয়েছিলেন তিনি। গা গুলিয়ে ওঠে তাঁর। ডালের বাটিটা একটু নাড়াচাড়া করতেই যা দেখলেন, তা হয়ত কোনওদিন কল্পনাও করেন নি ওই ব্যক্তি। দেখেন, ডালের ভিতরে রয়েছে মাংস। না মুরগি বা খাসির নয়। ইঁদুরের মাংস। হ্যাঁ, ডালের বাটির মধ্যে থেকে আস্ত একটা মরা ইঁদুর পান ওই ব্যক্তি।
সেই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজীব শুক্লা। শুরু হয় বমি-পায়খানা। শারীরিক অবস্থার এতটাই অবনতি হয় যে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তাঁকে। সুস্থ হওয়ার পর ওই রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান তিনি। কিন্তু ওই ব্যক্তির অভিযোগ, মুম্বই পুলিশ এফআইআর দায়ের করে নি। খাদ্য সুরক্ষা দফতরে এই নিয়ে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি।





