ধর্মান্তর বিষয়টি নতুন কিছু নয়। পুরনো যুগ থেকেই তা চলে আসছে। কখনও লোভ দেখিয়ে তো আবার কখনও বলপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন করানো হয়েছে কত হিন্দুকে। বর্তমানে সেই সমস্ত মানুষকে হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনার প্রয়াস চলছে। গতকাল, ২৫শে ডিসেম্বরের দিনই খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে সনাতনী হিন্দু ধর্মে ফিরলেন ৩০০-এর বেশি মানুষ।
গতকাল, রবিবার মধ্যপ্রদেশের দমহো জেলার কৃষ্ণা হাইটসে রামকথার অনুষ্ঠান চলছিল। রাম কথা শোনাচ্ছিলেন বাগেশ্বর ধামের পিঠাধীশ্বর ধিরেন্দ্র শাস্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে তাদের কেউ হিন্দু ধর্মে ফিরে আসার জন্য জোর করেছে কী না! সকলেই একযোগে উত্তর দেন যে তারা স্বেচ্ছাতেই সনাতন ধর্মে ফিরতে চান। এরপর ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী বলেন, “কোনও কিছুর জন্যই নিজের ধর্ম পরিত্যাগ করবেন না। আমাদের পূর্বপুরুষরা ধর্মকে রক্ষার জন্য নিজেদের প্রাণ ত্যাগ করেছেন”।
এদিন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী তাদের জিজ্ঞাসা করেন যে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য কী কী লোভ দেখানো হয়েছিল? এক যুবক উত্তরে বলেন, “আমার বাবাকে লোভ দেখানো হয় তাঁর ছেলের পায়ের চিকিৎসা হয়ে যাবে বিনামূল্যে। কিন্তু ওষুধের একটা টাকাও আমরা পাইনি। উল্টে আমাদের বলা হয়, বাড়িতে যদি কেউ মারাও যায় তাও রবিবার চার্চে আসতেই হবে”।
ওই যুবক আরও জানান যে তাঁকে হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে অনেক খারাপ কথা শুনতে হয়েছে। কিন্তু সেই সময় তাঁর কিছুই করার ছিল না। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত আরও এক যুবক বলেন, “গাড়ির কিস্তি মেটাবার নামে ১ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া চিকিৎসার জন্য আরও ৬০০০০ টাকা দিয়ে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করানো হয়”।
অন্যদিকে আবার পহেলগাঁও-এর জশপুরে প্রায় ৫০টি পরিবার এদিন হিন্দু ধর্মে প্রত্যাবর্তন করল। এদিন হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন কর হয়েছিল অখিল ভারত ঘর ওয়াপসি সংগঠনের প্রধান সূর্য প্রবল প্রতাপ জুদেবের তরফে। সেখানেই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তুলে সনাতনী হিন্দু ধর্মে ফিরলেন একশোরও বেশি মানুষ।





