করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা এখনও ভোলে নি দেশবাসী। গত কয়েকমাস নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ফের নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণ। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, গুজরাতে ক্রমেই বাড়ছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩০০০। গতকালের থেকে সংক্রমণ বেড়ে গিয়েছে ৪০ শতাংশ।
মাঝে করোনার গ্রাফ দেশে নিম্নমুখী হলেও ফের তা বাড়তে শুরু করেছে। এক সপ্তাহ আগেও করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল দৈনিক এক হাজার। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যেই তা বেড়ে দাঁড়াল দৈনিক ৩০০০-এরও বেশিতে। আজ, বৃহস্পতিবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩,০১৬। প্রতি সপ্তাহে ১.৭১ শতাংশ করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।
স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ জানাচ্ছেন, করোনা মোকাবিলার জন্য রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো কেমন রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে। বাংলা ও অন্যান্য রাজ্যে মকড্রিল শুরু হয়েছিল। ফের টিকাকরণে জোর দেওয়ার কথা জানান স্বাস্থ্যসচিব।
জানা যাচ্ছে, করোনা পরীক্ষা, আরটি-পিসিআর টেস্ট শুরু হবে। এলাকাভিত্তিক সংক্রমণের হার খতিয়ে দেখা হবে। কোভিড হাসপাতালগুলিতে পরিস্থিতি এখন কেমন, তা খতিয়ে দেখার জন্য আগামী ১০ ও ১১ই এপ্রিল দেশজুড়ে মহড়া চলবে বলে জানা গিয়েছে।
কোন রাজ্যে আক্রান্তের হার কেমন, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষজ্ঞের দল পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কোনও ব্যক্তির শরীরে যদি করোনা উপসর্গ দেখা যায়, তাহলে তৎক্ষণাৎ আরটি-পিসিআর টেস্ট করানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে। রিপোর্ট পজিটিভ এলে ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে সেই নমুনা।
নতুন কোনও প্রজাতি ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে কী না, তা জানাটা আগে জরুরি, এমনটাই মত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। এর পাশাপাশি টিকাকরণ প্রক্রিয়ার উপরও জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগের মতোই টেস্ট-ট্র্যাক, ট্রিট এবং টিকাকরণ ফর্মুলার উপরই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র।





