দেশের মানুষ এখনও করোনার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। করোনার সংক্রমন রুখতে নানান কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্পর্শকাতর এলাকাগুলির চিহ্নিতকরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সেগুলিকে সিল পর্যন্ত করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া দেশে করোনা পরীক্ষার হার বাড়ানো হচ্ছে যাতে সংক্রামিত ব্যক্তিরা খুব তাড়াতাড়ি ধরা পড়ে এবং তাদের দ্রুত চিকিৎসা করা সম্ভব হয়। এছাড়া বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে কেন্দ্র সেখানকার পরিস্হিতি সরজমিনে খতিয়ে দেখার জন্যে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের চিত্রটা একটু হলেও ভালোর দিকে আছে বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় সরকার। এ দেশে করোনায় মৃত্যুর হার ৩.১ শতাংশের বেশি নয়। অবশিষ্ট বিশ্বে এই মারণ রোগের মৃত্যুর গড় ৭ শতাংশ জানালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। তিনি বলেছেন, শুধু মৃত্যুর দিক থেকে নয় সুস্থ হওয়ার দিক থেকেও দেশের হাল অন্যান্য দেশের থেকে ভালো। ভারতে এখনও পর্যন্ত সেরে উঠেছেন ৫,৯১৩ জন, অর্থাৎ ২২ শতাংশের মত।
গতকাল এইমসের ট্রমা সেন্টারে গিয়ে পরিস্হিতি খতিয়ে দেখেন ডাক্তার হর্ষ বর্ধন। সেখানে কয়েকজন করোনা আক্রান্তের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি, খবর নেন তাঁদের শরীর স্বাস্থ্যের বিষয়ে। এইমসের সুযোগসুবিধে নিয়েও খোঁজখবর নেন তিনি, পাশাপাশি প্রশ্নও করেন, যাতে কোনো খামতি থাকলে সরকার স্বাস্থ্যব্যবস্থার পরিকাঠামোর উন্নত করতে পারে। এইমসের জয়প্রকাশ নারায়ণ অ্যাপেক্স ট্রমা সেন্টার এখন পুরোপুরি করোনা হাসপাতালের চেহারা নিয়েছে। ২৫০ বেডের এই সেন্টারকে পরিণত করা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ডে।





