জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার বিজেপিতে যোগদান পর্বের একসপ্তাহও কাটেনি। বৃহস্পতিবারই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পুরনো মামলা ফের চালু করল কংগ্রেস সরকার। ২০১৪ সালে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার বিরুদ্ধে শুরু হয়েছিল বেআইনিভাবে জমি দখলের মামলা। প্রমাণের অভাবে ২০১৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকারের আর্থিক অপরাধ দমন শাখা সেই মামলা বন্ধ করে দেয়। সম্প্রতি সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। ঠিক তারপরই এই মামলা পুনরায় শুরু হওয়ায় প্রতিশোধের গন্ধই পাচ্ছেন রাজনৈতিক মহল।
সিন্ধিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন সুরেন্দ্র শ্রীবাস্তব নামে এক ব্যক্তি । গত বৃহস্পতিবার হঠাৎ আর্থিক অপরাধ দমন শাখা সিদ্ধান্ত নেয়, সুরেন্দ্রর অভিযোগ ফের খতিয়ে দেখা হবে। এদিকে আর্থিক অপরাধ দমন শাখা থেকে প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বৃহস্পতিবার সুরেন্দ্র ফের অভিযোগ জানিয়েছেন, দলিল জাল করে সিন্ধিয়া তাঁর জমি দখল করেছেন। আমরাও ফের খতিয়ে দেখব, তাঁর অভিযোগ সত্য কিনা।”
এ নিয়ে সিন্ধিয়ার ঘনিষ্ঠ পঙ্কজ চতুর্বেদী শুক্রবার অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেওয়ার জন্যই ফের ওই মামলা চালু করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, কমলনাথ সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুরানো মামলা ফের চালু করেছে।
দীর্ঘ ১৮ বছর কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন জ্যোতিরাদিত্য। বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “গত ১৮ মাসে আমার স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছে। কৃষকদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পালন করা হয়নি। কংগ্রেস আগে যেমন ছিল এখন আর সেরকম নেই।”
মঙ্গলবার সিন্ধিয়া পদত্যাগ করার পরেই মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের ২২ জন বিধায়ক রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন। রাজ্যপাল যদি এই ২২ জন বিধায়কের পদত্যাগ গ্রহণ করেন, তাহলে কংগ্রেস সরকার নিশ্চিতভাবেই গরিষ্ঠতা হারাবে। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী ‘কমল’ চাপে ভালমতই ধরাশায়ী কমলনাথ সরকার।





