তিনজন চিকিৎসক ও ২৬ জন নার্সের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসায় বন্ধ করে দেওয়া হল মুম্বইয়ের এক হাসপাতাল। এরপরই ওই হাসপাতালকে সংক্রামিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মুম্বইয়ের ওই ওকহার্ড হাসপাতালের নাম রয়েছে সরকারি হাসপাতালের তালিকায়, যেখানে করোনার চিকিৎসা হচ্ছিল। কিন্তু এবার সেই হাসপাতালেই একসঙ্গে এতজনের আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলল।
যতক্ষণ না ওখানে ভর্তি রোগীদের শরীরে পরীক্ষার ফল দু’বার করোনা নেগেটিভ হচ্ছে ততক্ষণ ওই হাসপাতালের প্রবেশ ও প্রস্থান দুই পথই বন্ধ রাখা হবে।
অন্যদিকে সূত্রের খবর, হাসপাতালে কেন এভাবে এতজন আক্রান্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে একটি নতুন পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। ভারতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ক্রমশ ছড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এক মাসের জন্য বিভিন্ন এলাকা ‘সিল’ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে মন্ত্রকের তরফে। সংক্রমণ ছড়ানো আটকাতেই এই পরিকল্পনা।
গত ডিসেম্বরে চিনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ার পর গোটা বিশ্বে ত্রাসের সঞ্চার করেছে নোভেল করোনা ভাইরাস। এই পরিস্থিতিতে দেশে ওই ভাইরাসে ছড়িয়ে পড়া আটকাতে ২০ পাতার ওই পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। অন্তত চার সপ্তাহ কোনও নতুন করোনার সংক্রমণ ধরা না পড়লে তবেই ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা হবে।
এদিকে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৫০০ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সোমবার জানিয়েছে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত রয়েছেন মহারাষ্ট্রেই। মুম্বইয়ে এখনও পর্যন্ত ৪৫০-র বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে। মহারাষ্ট্রে সংক্রমণের শিকার ৭৮১ জন। এশিয়ার বৃহত্তম বস্তি এলাকা ধারাভিতেও পাঁচজনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ার পর আতঙ্ক আরও বেড়েছে। গত সপ্তাহে ধারাভির এক আক্রান্তের মৃত্যু হয়।





