বিজেপি সরকার অর্থাৎ মোদী সরকার ২০১৪ সালে প্রথমবারের জন্য ক্ষমতায় এসে এক গুচ্ছ প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। যার মধ্যে বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুটি প্রকল্প খুবই প্রাসঙ্গিক ‘Make in India’ ও ‘Digital India’। প্রচলিত আছে, “নানা মুণির,নানা মত।” তৎকালীন সময়ে, উক্ত দুই প্রকল্পের বিষয়েও মানুষের মিশ্র প্রতিক্রিয়া শোনা গেছিল। আজকের দিনে বাড়ি বসে একটা ফোনে সব কিছুই অর্ডার করা যায়। কিন্তু শুরুর দিকে এই সংস্থাগুলিকেও মানুষের নিন্দা শুনতে হয়েছিল। কয়েকটি ই-কমার্স সংস্থা যেমন – Amazon, Flipkart প্রভৃতি থেকে শুরু করে চেন রেস্টুরেন্ট সংস্থা KFC, Dominos প্রভৃতি এবং OLA, UBER-এর মতো অনলাইন ক্যাব সংস্থাগুলি একসময় নতুন নতুন বাজারে আসে এবং নবীন সমাজের কাছে ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা লাভ করে। এক্ষেত্রেও অধিকাংশ প্রবীণ সমাজ এই সব অনলাইন সংস্থাগুলোকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, সেই সময়ই বাজারে আসে Jio নামক এক নতুন টেলিকম সংস্থা যারা উন্নতমানের ও দ্রুতগতি সম্পন্ন 4G ইন্টারনেট পরিষেবা ক্রেতাদের বিনামূল্যে দিয়ে বাজারে আলোড়ন ফেলে ছিল। ওই টেলিকম সংস্থার এই পরিষেবা একদিন যে আশীর্বাদ হয়ে দেখা দেবে তা বোধহয় প্রবীণদের দূরদৃষ্টিতে আসেনি। এই টেলিকম পরিষেবারও প্রথম অনুমোদন ও প্রেরণা দেয় মোদী সরকার ১.০-২.০। আর এই টেলিকম সংস্থার দৌলতেই দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে সস্তার ইন্টারনেট পৌঁছে যায়।
ছোটবেলায় একটি রচনা পরীক্ষার খাতায় খুবই প্রচলিত ছিল ‘বিজ্ঞান আশীর্বাদ না অভিশাপ’ কারণ স্যার আইজ্যাক নিউটনের মতে, “প্রতিটি ক্রিয়ার একটি বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে”। সুতরাং, ভালোর সাথে মন্দ, সুখের সাথে দুঃখ, সাদার সাথে কালো, মিষ্টির সাথে তেতোর সম্পর্ক যেমন ওতপ্রোতভাবে জড়িত তেমনি ডিজিটাল মাধ্যমেও অনেক কুপ্রভাবের সাথে সুপ্রভাবও রয়েছে। ভারতে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোগত অভাব থাকা সত্বেও বর্তমান পরিস্থিতিতে COVID19-র মতো মারণ রোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপায় লকডাউনকে সফল করেছে এই ইন্টারনেট পরিষেবাই। করোনার একমাত্র হাতিয়ার ডিজিটাল মাধ্যম যা বর্তমান ভারতে আরও নতুন দুটি পথের উন্মোচন করেছে ‘Work from Home’ ও ‘E-learning’ বা ‘Online Classes’। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, উচ্চ শিক্ষায় ‘E-learning’ বা ‘Online Classes’-র পরিচিতি থাকলেও ব্যাপক হারে প্রচলন ছিল না, তবে School শিক্ষায় ‘E-learning’ বা ‘Online Classes’-র প্রয়োগ COVID19-র যুগেই সম্ভবপর হল।
[bs-quote quote=”প্রতিবেদনটি লিখেছেন ” style=”style-4″ align=”center” author_name=”শুভদীপ দত্ত” author_job=”শিক্ষার্থী” author_avatar=”https://khabor24x7.com/wp-content/uploads/2020/04/imresizer.com_.jpg”][/bs-quote]
প্রতিবেদনটির মতামত সম্পূর্ণ লেখকের ব্যক্তিগত






