বাহারি পোশাক থেকে গয়না, মিষ্টি! রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অয্যোধ্যা রামমন্দিরে আসছে অঢেল উপহার

নতুন বছরের ২২শে জানুয়ারি উদ্বোধন হবে অযোধ্যার রামমন্দিরের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন বহু প্রতীক্ষিত এই মন্দিরের। চলছে শেষ পর্বের প্রস্তুতি। এরই মধ্যে এল রও এক সুখবর। জানা গিয়েছে, রামচন্দ্রের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যার রামমন্দিরের জন্য নানান উপহার আসছে।

রামের শ্বশুরবাড়ি কোথায়, জানেন তো?

রামায়ণ মহাকাব্য অনুযায়ী, অযোধ্যার রাজা রামের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন জনকপুরের রাজা জনকের কন্যা সীতা। মহাকাব্যে বর্ণিত সেই জনকপুর বর্তমান নেপালে অবস্থিত। সেই শ্বশুরবাড়ি থেকেই অযোধ্যার মন্দিরে আসছে অঢেল উপহার। নেপালের সংবাদমাধ্যমগুলির দাবী, রামমন্দির উদ্বোধনের একদিন আগেই নেপাল থেকে অয্যোধ্যা রামমন্দিরে পৌঁছবে নানান অলঙ্কার, বাসনপত্র, জামাকাপড়, মিষ্টি-সহ অনেক উপহার। সীতার বাপের বাড়ির বর্তমান সদস্যরাই সেই উপহার মাথায় করে নিয়ে আসবেন বলে জানা গিয়েছে।

অযোধ্যার রাম মন্দিরে অবশ্যনেপালের এক বড় অবদান রয়েছে। এর আগেনেপালের কালীগন্ডকি নদীর তীর থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছিল শালগ্রাম শিলা। তারপর সেই শিলা পাঠানো হয় অযোধ্যায়। ওই কালো রঙের শালগ্রাম শিলা থেকেই খোদাই করা হয়েছে রামের মূর্তি। আগামী ২২ জানুয়ারি মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন, ওই শালগ্রাম শিলার রাম মূর্তিটিমন্দিরের গর্ভগৃহে স্থাপন করা হবে।

এই উপহার পাঠানো প্রসঙ্গে জনকপুরের জানকী মন্দিরের প্রধান মোহান্ত, রামরোশন দাস বৈষ্ণব বলেছেন, “১৮ জানুয়ারি জনকপুর থেকে থেকে এই যাত্রা শুরু হবে। জনকপুরধাম থেকে জলেশ্বরনাথ, মালংওয়া, সিমরৌংগড়, গাধিমাই, বীরগঞ্জ হয়ে ভারতে প্রবেশ করবে যাত্রা। তারপর, বেটিয়া, কুশিনগর, সিদ্ধার্থনগর, গোরখপুর হয়ে ২০ জানুয়ারি উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় এই যাত্রা শেষ হবে। ওই দিনই শ্রীরাম জন্মভূমি রাম মন্দির ট্রাস্টের হাতে ওই উপহারগুলি তুলে দেবেন জানকী মন্দির থেকে যাওয়া প্রতিনিধিরা। ২২ জানুয়ারি রামলাল্লার অভিষেক অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তাঁরা”।

উল্লেখ্য, যদিও নেপাল সীতা বা জানকীর জন্মস্থান হিসেবে জনকপুরকে দাবী করলেও, তা নিয়ে অনেক দ্বিমত রয়েছে। রামায়ণে যে জনকপুরের কথা বলা হয়েছে, নানান সংস্কৃতি ভেদে তার নানান ধরণের ব্যাখ্যা রয়েছে। সেই কারণে এই নিয়ে বিতর্কও রয়েছে ঢের।    

RELATED Articles