বর্তমানে ভারতে করোনা সংক্রমনের সংখ্যা ২০ হাজার পার করেছে। মৃত্যু হয়েছে ৬৪০ এর অধিক। এই অবস্থায় দেশের মানুষের প্রাণ বাঁচাতে দেশব্যাপী লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্বিতীয় দফার এই লকডাউনের মেয়াদ ধার্য করা হয়েছে ৩রা মে পর্যন্ত। কিন্তু এই লকডাউন মানুষকে সংক্রমন থেকে বাঁচাতে পারলেও আর্থিক সংকটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তাই সমস্ত বিষয়ে মাথায় রেখেই লকডাউনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য পুনরায় মুখ্যমন্ত্রীদের সাথে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।
আগামী সোমবার ২৭শে এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ফের ভিডিও কনফারেন্স-এ বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এমনটাই সূত্রের খবর। সোমবারের বৈঠকে কি লকডাউন শিথিল করার কথা হবে নাকি বর্ধিত করার কথা হবে! তার জন্য অপেক্ষা ব্যতীত উপায় নেই।
১৪ই এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী লকডাউন ২.০ ঘোষণার পাশাপাশি ২০ এপ্রিল থেকে কিছু ক্ষেত্রে ছাড়ের ঘোষণাও করেন।সেইমতো হটস্পট নয় এমন অঞ্চলগুলিতে ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যগুলি। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও কতদূর শিথিল করা যেতে পারে লকডাউন তা নিয়ে তৈরি হয়েছে দ্বন্দ্ব। ইতিমধ্যেই কেরল-সহ একাধিক রাজ্যকে লকডাউন অতিরিক্ত মাত্রায় শিথিল করার বিষয়ে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
সোমবারের কনফারেন্সে লকডাউন শিথিল হওয়ার নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩রা মে পর্যন্ত ভারতে লকডাউন জারি থাকার কথা কিন্তু এরপর লকডাউনের ভবিতব্য কি? তবে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী লকডাউন উঠে গেলেও বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার এখনই কোনো সম্ভাবনা নেই। একই অবস্থা রেলের ক্ষেত্রেও। তাই ৩রা মে-এর পর কিভাবে লকডাউন ধীরে ধীরে ওঠানো হবে তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বৈঠকে।





