পুণে মেট্রো রেলপথের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, নিজে টিকিট কেটে সারলেন মেট্রো সফরও

পুণে মেট্রো প্রকল্পের অধীনে তৈরি হএয়া রেলপথের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই মেট্রো রেলপথের জন্য খরচ হয়েছে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। মেট্রোর মোট দৈর্ঘ্য ৩২.২ কিলোমিটার। তবে প্রথম দফায় ১২ কিলোমিটার রেলপথের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন এর পাশাপাশি ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের একটি মূর্তিরও উন্মোচন করেন মোদী। মেট্রো উদ্বোধনের পর এদিন নিজে টিকিট কেটে মেট্রোতে সফরও করলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন তাঁর সফরে সঙ্গী হল স্কুলের শিশুরা। তাদের সঙ্গে মেট্রোতে হাসিমুখে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে।

ভানাজ থেকে গারওয়ার স্টেশন পর্যন্ত প্রথম ট্রেনযাত্রার সঙ্গী হলেন মোদী। শুধু তাই-ই নয়, এই মেট্রো যাত্রার প্রথম টিকিটটিও কেটেছিলেন প্রধানমন্ত্রীই। পরে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে নিজের ট্রেন সফরের ছবি শেয়ার করেন তিনি। মোদী এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন ২০১৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর।

এদিন এই মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধন করার সময় তিনি বলেন, “আপনারা আমায় সুযোগ করে দিয়েছেন এটি উৎসর্গ করার। সেই সঙ্গে একটা বার্তাও দেওয়া গিয়েছে যে, পরিকল্পনা সময়ানুযায়ীই সম্পূর্ণ করা যায়”।

https://twitter.com/narendramodi/status/1500356924126433280?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1500356924126433280%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.sangbadpratidin.in%2Findia%2Fpm-modi-flagged-off-maiden-metro-train-run-in-pune%2F

এদিন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে। এর পাশাপাশি তিনি আগের কংগ্রেস সরকারকেও কাঠগড়ায় তোলেন এদিন। তাঁর কথায়, “অলস মনোভাবেই দেশের উন্নয়ন থমকে থেকেছে”। সেই সঙ্গে তিনি আরও ঘোষণা করেন যে “আজকের ভারত দ্রুত এগিয়ে চলেছে। তাই গতির উপরে আমাদের নজর রাখতেই হবে। আর এই কারণেই আমাদের সরকার ‘পিএম গতিশক্তি ন্যাশনাল মাস্টার প্ল্যান’ তৈরি করেছে”।

এদিন মোদীর সফরকে ঘিরে পুনেতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বেশ কিছু সতর্কমূলক পদক্ষেপ করা হয়। আসলে এর আগে মোদীর পঞ্জাব সফরে নিরাপত্তা নিয়ে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল, তা যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেকথা মাথায় রেখেই এই বাড়তি নিরাপত্তা।

এদিনের এই মেট্রো প্রকল্প অনুষ্ঠানে মঞ্চে দেখা যায় নি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে। কেন্দ্রের প্রতি তাঁর অসন্তোষ বোঝাতেই তিনি এমনটা করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

RELATED Articles