‘মোদীর ভাবমূর্তি ক্ষয় হয়েছে, মোদী অজেয় নন, আমজনতাই মোদীর মুখে চ্যালেঞ্জ…’, ৪০০ আসন কী পার করতে পারবে বিজেপি, কী ভবিষ্যৎবাণী পিকে-?

Prediction of Prashant Kishor regarding seats number of BJP: ৪ঠা জুন মোদীর ভাগ্য পরীক্ষা। ফের কী দিল্লির মসনদে বসবেন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)? নাকি দিল্লির গদি এবার উল্টে যাবে? ইন্ডি জোট যেভাবে লড়ছে, তাতে কী সত্যিই গদি পাল্টানোর সম্ভাবনা আদৌ রয়েছে? যদিও বিজেপির তরফে দাবী, ‘আব কি বার, ৪০০ পার’। অর্থাৎ ৪০০-এর বেশি আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে গেরুয়া শিবির। এই বিষয়ে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) কী ভবিষ্যৎবাণী করলেন (Prediction of Prashant Kishor regarding seats number of BJP)?

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, বিজেপির আসন সংখ্যা নিয়ে কথা বলেন প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) অর্থাৎ পিকে। তাঁর কথায়, কোনও বিরোধী দল না নেতা বিজেপির ব্র্যান্ড মোদীর (Narendra Modi) সামনে দাঁড়াতে পারে নি ঠিকই। কিন্তু দেশের আমজনতা মোদীর সামনে সেই প্রতিরোধের দেওয়াল হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমজনতাই মোদীকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দবে বলে দাবী পিকে-র।

বিজেপি কী ৪০০ আসন পার করতে পারবে (Prediction of Prashant Kishor regarding seats number of BJP)? পিকে-র কথায়, সেটা সম্ভব নয়। তাঁর যুক্তি, বিরোধী দলগুলি হয়ত বেশ দুর্বল। কিন্তু সরকার বিরোধী হাওয়া কিন্তু মোটেই দুর্বল নয়। পিকে-র কথায়, যে দেশের ৬০ কোটি মানুষ দিনে ১০০ টাকাও রোজগার করতে পারেন না, সেখানে সরকার বিরোধী কখনই লঘু হতে পারে না (Prediction of Prashant Kishor regarding seats number of BJP)

প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) দাবী, “ভারতে কেউ ৫০ শতাংশ ভোট পায়নি (Prediction of Prashant Kishor regarding seats number of BJP)। সহজভাবে বলা যায়, ভোট দেওয়া ১০০ জনের মধ্যে ৪০ জন মোদীকে (Narendra Modi) সমর্থন করেন। তাঁর আদর্শ, কাজ, হিন্দুত্ব, রামমন্দির, ৩৭০ ধারা বিলোপের সমর্থক তাঁরা। ফলে দেখা যাচ্ছে, মাত্র ৪০ জন মানুষ খুশি মোদীতে। কিন্তু, পরে থাকা ৬০ জন কিন্তু অসুখী। এটা যেন মাথায় থাকে”।

পিকে-র (Prashant Kishor) কথায়, “প্রধানমন্ত্রী মোদী (Narendra Modi) এবং বিজেপির সামনে বিরাট চ্যালেঞ্জ হল গ্রামীণ এলাকার মানুষের মধ্যে গভীর অসন্তোষ। তাঁরাই ভোটারদের বিরাট অংশ যাঁরা বঞ্চিত। তার পরেও যদি বিজেপি জিতে যায়, তাহলে বুঝতে হবে বিরোধী দলগুলি শক্তিহীন কিংবা মানুষের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ। বিজেপি জিতলেও মনে করার কোনও কারণ নেই যে দেশের প্রতিটি মানুষ মোদী সরকারের উপর খুশি” (Prediction of Prashant Kishor regarding seats number of BJP)

তিনি এও বলেন, “২০১৪ এবং ২০১৯ সালে মোদীর (Narendra Modi) যে ভাবমূর্তি বা ব্র্যান্ড অক্ষত ছিল, ২০২৪ সালে তার অনেকটাই ক্ষয়ে গিয়েছে। এ বছর তাঁকে ছাড়া ভোট দেওয়ার আর কে আছে…কিন্তু ব্যান্ড মোদীর ক্ষমতা কমে এসেছে (Prediction of Prashant Kishor regarding seats number of BJP)। প্রশান্ত যুক্তি দেখিয়ে বলেন, ২০১৪ সালে বিজেপি কর্মীদের ভিতরে একটা জোশ কাজ করেছিল। ২০১৯ সালে দেশের মানুষ ভেবেছিল এদের আরও পাঁচটা বছর কাজ করার সুযোগ দেওয়া যায়। অনেকেই ২০১৪ সালে ভেবেছিলেন মোদী (Narendra Modi) ক্ষমতায় এলে দেশে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু এই বছর মানুষ ভাবছে, অন্য কেউ নেই তো এনাকেই ভোট দিতে হবে”। প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) কথায়, ভোটদানের হার থেকেই স্পষ্ট যে মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার তেমন আর উন্মাদনা নেই। 

RELATED Articles