রামমন্দিরের উদ্বোধনের দিনই কোলজুড়ে আসুক সন্তান, ২২ জানুয়ারি ডেলিভারি করানোর আবদার অন্তঃসত্ত্বাদের

আগামী ২২ জানুয়ারি যে দেশ এক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন রয়েছে অযোধ্যার রামমন্দিরের উদ্বোধন। আর এই উদ্বোধনকে ঘিরে উন্মাদনার অন্ত নেই ভক্তদের। কেউ পায়ে হেঁটেই রওনা দিয়েছেন রামমন্দিরের উদ্দেশে, কেউ আবার শ্রীরামের জন্য স্বর্ণপাদুকা তৈরি করে তা মাথায় করে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে রামমন্দিরে।

এবার এই ২২ জানুয়ারি দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এক অদ্ভুত আবেদন জমা পড়েছে বলে খবর। জানা যাচ্ছে, রামমন্দিরে রামলালার বিগ্রহের স্থাপনের দিনই সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখাতে চাইছেন অন্তঃসত্ত্বা মায়েরা। চিকিৎসকের কাছে গিয়ে এমন আবেদনও জানাচ্ছেন তারা। অনেকেই ডেলিভারির ডেট পিছিয়ে বা এগিয়ে ওই তারিখেই করাতে চাইছেন ডেলিভারি।

কী জানাচ্ছেন চিকিৎসক?

এই ঘটনার কথা জানিয়েচ কানপুরের মেডিক্যাল কলেজে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সীমা দ্বিবেদী বলেন, একই লেবার রুমে প্রায় ১৪টি ডেলিভারি করার আবেদন জমা পড়েছে। ২২ জানুয়ারি তারিখে ওই মেডিক্যাল কলেজে ৩৫টি সিজার ডেলিভারির ব্যবস্থা করা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু হাসপাতালগুলো তাতেও সব ঠিক করতে পারছে না। ২২ জানুয়ারি ডেলিভারি করাতে চাওয়া অন্তঃসত্ত্বাদের সংখ্যা প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে বলে জানান ওই চিকিৎসক।

এও জানা গিয়েছে যে কোনও কোনও অন্তঃসত্ত্বা আবার এমনও বলেছেন যে ২২ জানুয়ারি যদি ডেলিভারি করানো সম্ভব না হয়ে থাকে, তাহলে রামমন্দির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে যে সাতদিনব্যাপী অনুষ্ঠান রয়েছে, সেই সাতদিনের মধ্যে যে কোনও একদিন তাদের ডেলিভারি করাতে হবে।

চিকিৎসক সীমা দ্বিবেদী বলছেন, “হবু মায়েরা মনে করছেন, রাম আসলে বীরত্ব ও আনুগত্যের প্রতীক। তাঁদের সন্তানরা যদি ওইদিন জন্মায় তাহলে সদ্যোজাতদের মধ্যেও এই গুণগুলো থাকবে। কিন্তু এরকম দিন মেনে ডেলিভারি করানোর ক্ষেত্রে অনেক সময়ই ঝুঁকি থাকে। হয়তো ওই দিনে ডেলিভারি করালে মা ও সন্তান দুজনেরই ক্ষতি হতে পারে”।

RELATED Articles