এবার ফের বাড়তে চলেছে মদ ও ওয়াইনের দাম। একেবারে একলাফে থেকে ১৫ শতাংশ দাম বৃদ্ধি হতে পারে মদের। এর জেরে বেশ দুশ্চিন্তায় সুরাপ্রেমীরা। গত ২৪শে নভেম্বর মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের জেরে আবগারি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল সরকার। এর জেরেই বাড়বে মদ ও ওয়াইনের দাম।
তবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য অসমে। দেশের নানান রাজ্যগুলির মতো অসমেও রাজস্বের সিংহভাগই আসে আবগারি রাজস্ব থেকেই। ২০০১-২০০২ অর্থবর্ষে আবগারি রাজস্ব থেকে অসম সরকার আদায় করেছিল ১৪৮ কোটি টাকা। ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে অসম সরকার আবগারি রাজস্ব থেকে আদায় করেছে ২,০৩৩ কোটি টাকা। এবার ২০২০১-২০২২ আর্থিক বর্ষে রাজ্য সরকারের লক্ষ্য ২,৪০০ কোটি টাকা আবগারি রাজস্ব হিসেবে তোলা। এই কারণেই আবগারি শুল্ক বাড়িয়েছে অসম সরকার।
সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২০০১ সালের পর অসম সরকার দোকানে মদ ও ওয়াইনের লাইসেন্স দেয়নি। তবে নানান বারগুলিকে লাইসেন্স দিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে জানা যাচ্ছে, বর্তমানে অসম সরকার কয়েকটি মদের দোকানকে লাইসেন্স দেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বর্তমানে অসমে ১,২৩৪টি মদের দোকান খুলেছে। এরমধ্যে শুধু গুয়াহাটিতেই মদের দোকান রয়েছে ৩১৮টি। রাজ্যে বারের সংখ্যা রয়েছে ৯৯৬টি। মনে করা হচ্ছে, অসমে মদ ও ওয়াইনের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যের লোকেরা প্রতিবেশী রাজ্যগুলির সীমানার এলাকাতে মদের দোকানে ভিড় জমাবে।
একদিকে অসম সরকার যখন রাজস্ব বাড়াতে আবগারি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল, সেই সময়ই আবার পশ্চিমবঙ্গ সরকার আবগারি শুল্ক কমানোর জেরে এই রাজ্যে বিলিতি মদের দাম কমেছে। এই রাজ্য সরকারের মতে, শুল্ক কম করলে মদ বিক্রির পরিমাণ বাড়বে। এর জেরে রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।
অন্যদিকে আবার সুরাপ্রেমীদের মদ কিনতে আরও উৎসাহ জোগাতে এবার শুরু হচ্ছে ‘মদের শপিং মল’। এবার থেকে জামাকাপড় কেনাকাটার মতো মলে গিয়ে মদও কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। এর ফলে মদ কিনতে গিয়ে দোকানে ভিড় কম জমবে বলে মত সে রাজ্যের সরকারের।





